দেশের দুই শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে সিংহ ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। বৃহস্পতিবার দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সবগুলো মূল্য সূচকে বড় পতন হয়েছে। সেই সঙ্গে ডিএসইতে কমেছে লেনদেনের গতি। তবে সিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই দাম কমার তালিকায় চলে আসে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান। আর লেনদেনের শেষ দিকে ঢালাও দরপতন হয়।
এতে দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সবখাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে মাত্র ৫২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ৩০৮টির। আর ৩৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৮২ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২৪০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৩ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৪৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৩৩ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১১ পয়েন্টে নেমে গেছে।
মূল্য সূচক কমার পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৪৫৯ কোটি ৪২ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৫৮২ কোটি ৩৭ টাকা। এ হিসাবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন কমেছে ১২২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। বৃহস্পতিবারের লেনদেনে সব থেকে বড় ভূমিকা রেখেছে ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ার। কোম্পানিটির ৩২ কোটি ২৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
অন্য শেয়ারবাজার সিএসই'র সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ১৯২ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৮১ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪১টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১২৬টির এবং ১৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৪১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।
Tag:
আরো পড়ুন: