আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উত্থাপন করা হবে বৃহস্পতিবার। বাজেটের আকার হতে পারে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। ওইদিন বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
এটি পাস হলে এটি হবে দেশের ৫৫তম, বর্তমান সরকারের চলতি মেয়াদের ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রথম বাজেট।
জানা গেছে, আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হতে পারে সাড়ে ৬ শতাংশ। এছাড়া, মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হতে পারে সাড়ে ৭ শতাংশ এদিকে, বাজেটে আগামী (২০২৬-২৭) অর্থবছরের জন্য প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) প্রাথমিক ভাবে চূড়ান্ত করেছে সরকার। এডিপিতে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা। আর ঋণ সহায়তা বা বিদেশি অর্থায়ন ধরা হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা।
সিগারেট ও নিকোটিনজাত পণ্য
সিগারেটের ফিল্টার তৈরির কাঁচামালের ওপর ৩০০ শতাংশ এবং নিকোটিনের ওপর ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। এছাড়া সিগারেটের প্যাকেটে কিউআর কোড সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হতে পারে। উচ্চ স্তরের ১০ শলাকার সিগারেটের প্যাকেটের দাম ১৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১০ টাকা করা হতে পারে। একইসঙ্গে নিকোটিন পাউচের ওপর ৪০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।
অ্যালকোহল
দেশে উৎপাদিত অ্যালকোহলের ওপর লিটারপ্রতি ৫০০ টাকা ভ্যাট আরোপ করা হতে পারে।
কাজুবাদাম
কাজুবাদাম আমদানিতে শুল্কহার ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হতে পারে। ফলে এ পণ্যের দাম বাড়তে পারে।
হিমায়িত মাছ
উচ্চ মূল্যের হিমায়িত মাছ আমদানির ওপর ১৫ শতাংশ মূসক আরোপ করা হতে পারে। এতে এসব মাছের দাম বাড়তে পারে।
রড
দেশে মাইল্ড স্টিল (এমএস) এবং এ জাতীয় পণ্যের উৎপাদন পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট কর ও ভ্যাট প্রায় ১০ শতাংশ বাড়ানো হতে পারে। ফলে রডের দাম বাড়তে পারে।
বিলাসী ও আমদানি পণ্য
বিদেশি প্রসাধনী, বিলাসী পণ্য, আমদানি করা উচ্চমূল্যের খাদ্যপণ্য এবং নতুন ১০টি পণ্যের আমদানি পর্যায়ে ২০ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হতে পারে। ফলে এসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে।
আরো পড়ুন: