বরিশালে সরেজমিনে না গিয়েই বিল করেন মিটার রিডাররা

বরিশালে সরেজমিনে না গিয়েই বিল করেন মিটার রিডাররা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:৩৫

বরিশাল নগরীতে আগের বিলের সাথে মিলিয়ে অনুমানে বিল করেন মিটার রিডাররা। এমনকি মিটারের চেয়ে বেশি রিডিং দেখিয়ে ইউনিট বাড়িয়ে দেওয়ায় ইউনিট প্রতিও বাড়তি রেট গুনতে হয় গ্রাহকদের। এ কারণে হাজার হাজার টাকা গচ্চা দিতে হচ্ছে গ্রাহকদের।

এসব বিষয় উল্লেখ করে নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন একজন ভুক্তভোগী গ্রাহক।

বরিশাল নগরীর বিআইপি শাখা সড়কে বসবাসকারী ওই ভুক্তভোগী সোমবার চাঁদমারী ওয়েষ্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন (বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১) এর নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগটি সাধারণ শাখা গ্রহণ করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অপেক্ষমাণ রাখে।

এছাড়া একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, মিটার রিডাররা সরেজমিনে না গিয়েই বিল করেন। ইচ্ছেমত যার যত খুশি ইউনিট দেখিয়ে দেন। এসব নিয়ে গ্রাহকদের ভোগান্তির শেষ নেই। লিখিত অভিযোগে গ্রাহক বলেন, কয়েক মাস পূর্বে আমাদের মিটার রিডারের দায়িত্বে আসেন হারুনুর রশিদ।

তিনি আসার প্রথম মাস থেকে ৪০০ ইউনিট করে বিল দেখান। কিছুদিন পর আমার সন্দেহ হলে আমি চেক করে মিটারে বিলের চেয়ে রিডিং কম দেখতে পাই। এরপর রিডার হারুন সাহেবকে ফোন দিয়ে নিয়ে সরাসরি দেখাই। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে জানান, সামনের দিকে আর এভাবে হবেনা। অথচ এরপরেও তিনি মিটার না দেখেই গড়ে বিল দেখিয়ে যাচ্ছেন।

নভেম্বর মাসে বিল দেখিয়েছেন ২৪০ ইউনিট। একমাস পরে বর্তমানে আছে মাত্র ৮৫ ইউনিট।

অর্থাৎ তৎকালীন সময়ে তিনি অগ্রীম রিডিং দেখিয়ে বিল করেছেন। এভাবে বিগত মাসসমূহে আমার অনেক টাকা গচ্চা গেছে। এসব বিষয়ে ক্ষতিপূরণ ও প্রতিকার চেয়ে অভিযোগে আবেদন করা হয়।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মিটার রিডার হারুনুর রশিদ বলেন, 'আমি সব জায়গায় মিটার দেখেই বিল করি। সরেজমিনে না গিয়ে বিল করার কোনো সুযোগ নেই। ওই গ্রাহকের যে গ্যাপ হয়েছে সেটা ঠিক করে দেওয়া যাবে।'

ওয়েষ্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন (বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১) এর নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুল কুমার স্বর্ণকার বলেন, 'আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। গুরুত্ব দিয়েই তদন্ত স্বাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'