সিঙ্গাপুর থেকে ৫ কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন

সিঙ্গাপুর থেকে ৫ কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন
প্রতিকী ছবি।

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৯

আপডেট: ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:৫০

রাষ্ট্রীয় চুক্তির আওতায় সিঙ্গাপুর থেকে পাঁচ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এছাড়াও, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া এবং রাশিয়া থেকে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি বা পটাশ সার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ সার ও এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফার্টিগ্লোব ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড থেকে ৪০ হাজার টন (১০ শতাংশ+) বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব নিয়ে আসা হয়। উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি প্রস্তাবটি অনুমোদন দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ফার্টিগ্লোব থেকে জিটুজি চুক্তির আওতায় ২০০৭ সাল থেকে ইউরিয়া সার আমদানি করা হচ্ছে। আগের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি সভার অনুমোদন নিয়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির মাধ্যমে দুই লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

ফার্টিগ্লোবের সঙ্গে চুক্তি মোতাবেক সারের মূল্য নির্ধারণ করে ৪০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার এক কোটি ৬৪ লাখ মার্কিন ডলারে কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ২০১ কোটি ২২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। প্রতি টন সারের মূল্য ধরা হয়েছে ৪১০ মার্কিন ডলার।

সেই সঙ্গে বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে রাশিয়ার জেএসসি ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন (প্রোডিনটর্গ) ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ৩৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১৫১ কোটি ৫৬ লাখ ৫৭ হাজার ৮৮৫ টাকা। প্রতি টনের মূল্য ধরা হয়েছে ৩৫২ দশমিক ৯৩ মার্কিন ডলার।

এছাড়া, বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সিঙ্গাপুরের আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড থেকে স্বল্পমেয়াদে ২০২৬ সালে সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় পাঁচ কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।