খুচরা বাজারে লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
প্রেস সচিব বলেন, 'এলপি গ্যাসের স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়িক পর্যায়ে আরোপিত ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ২ শতাংশ আগাম কর অব্যাহতি প্রদানপূর্বক এলপি গ্যাসের আমদানি পর্যায়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে এলপি গ্যাসের ওপর কর ভার কিছুটা হলেও কমবে। এতে লোকাল মার্কেটে (খুচরা বাজারে) এলপি গ্যাসের দাম আরও কমবে।
বাংলাদেশে লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ভোক্তাপর্যায়ে প্রতি মাসে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নির্ধারণ করে। বিইআরসি সাধারণত সৌদি আরামকোর প্রোপেন ও বিউটেনের দামের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই দাম সমন্বয় করে।
বিইআরসি প্রতি মাসেই এলপিজির যে দাম নির্ধারণ করে দেয়, বাজারে সেই দামে এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায় না। বাস্তবে অনেক এলাকায় সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে বা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অনেকেই বাধ্য হয়ে বেশি দামে এলপিজি কিনছেন। এর ফলে সাধারণ ভোক্তা ও ব্যবসায়ী উভয়ের মধ্যেই অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বেশি দামে এলপিজি কেনার ফলে ভোক্তার খরচ বেড়ে যাচ্ছে।
বাজারে এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের এমন কৃত্রিম সংকটের জন্য ব্যবসায়ীরা জাহাজের সমস্যার কারণে আমদানি কমে যাওয়া, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে কিছু যানবাহন বা সরবরাহকারী কার্যক্রম কমে যাওয়া এবং ব্যাংক/এলসির জটিলতা ইত্যাদি কারণকে সামনে আনছেন।
কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে সরকার ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানসহ নজরদারি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়াও, বাজার স্থিতিশীল করতে এবং সরবরাহ সংকট নিয়ন্ত্রণে সরকার সরাসরি এলপিজি আমদানি করার প্রস্তাবও দিয়েছে।
Tag:
আরো পড়ুন: