ক্যারিবিয়ান দেশ কিউবায় তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে দিনে কয়েক ঘন্টা বিদ্যুৎ বন্ধ রাখার পাশাপাশি যান চলাচল সীমিত করা হচ্ছে দেশজুড়ে। দেশটির বেশির ভাগ অফিস ও স্কুলের সময় কমানো হয়েছে।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে অনলাইন ক্লাস। রাস্তায় যান চলাচল তেমন নেই বললেই চলে। রান্নার জন্য কাঠ ও কয়লা ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে সাধারণ মানুষ। যুক্তরাষ্ট্রের তেল অবরোধের ফলে দেশটিতে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে জরুরি বিধিনিষেধ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল। দেশজুড়ে কর্মসপ্তাহ কমিয়ে আনা হয়েছে চার দিনে, সীমিত করা হয়েছে আন্তঃপ্রদেশ পরিবহন, বন্ধ রাখা হয়েছে প্রধান পর্যটন কেন্দ্রগুলো।
জানানো হয়েছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাস্থ্য, খাদ্য উৎপাদন ও প্রতিরক্ষা খাতে অগ্রাধিকার দেবে কিউবা সরকার। পাশাপাশি সৌর শক্তি ও নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়ানো হবে। সংস্কৃতি ও ক্রীড়া কার্যক্রম সীমিত হচ্ছে।
কয়েক দশকের কঠোর মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় অর্থনৈতিক ধসের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে কিউবাকে। তেল সরবরাহের জন্য দেশটি মূলত মেক্সিকো, রাশিয়া এবং ভেনেজুয়েলার মতো বিদেশী মিত্রদের উপর নির্ভর করত। তবে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে আটক করার পর কিউবার তেলের সরবরাহ বন্ধ হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বাড়ানোর অংশ। তবে তেলের সংকটের মধ্যে কিউবার মানুষ কতদিন সহ্য করতে পারবে, তা অনিশ্চিত।
Tag:
আরো পড়ুন: