মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার চালকদের জন্য সুখবর

মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার চালকদের জন্য সুখবর
ফাইল ছবি।

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৪৪

আপডেট: ১০ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৪৭

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার জেরে বিশ্বজুড়েই জ্বালানি তেল নিয়ে সংকটের আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশে অনেকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনছেন। এর ফলে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেলের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেকে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পান না। পরিস্থিতি সামাল দিতে ফিলিং স্টেশন থেকে মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রোল বা অকটেন সরবরাহের সীমা বেঁধে দেয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)।

এর ফলে মোটরসাইকেলচালকরা পড়েন বিপাকে। বেশি ভোগান্তিতে পড়েন রাইড শেয়ার চালকরা। এবার তাদের জন্য সুখবর দিল বিপিসি। রাইড শেয়ার চালকদের জন্য অকটেন অথবা পেট্রোল দৈনিক জ্বালানি তেল ক্রয়ের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৫ লিটার নির্ধারণ করেছে বিপিসি। তবে এই নিয়ম শুধুমাত্র মহানগরের জন্য প্রযোজ্য হবে। 

মঙ্গলবার বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়, ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার ভোক্তাকে আবশ্যিক ভাবে তেলের ধরণ, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ প্রদান করতে হবে।

প্রতিবার জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় পূর্ববর্তী ক্রয় রশিদ/বিলের মূল কপি জমা প্রদান করতে হবে। মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং চালকের তথ্যাদি রাইড শেয়ারিং অ্যাপসের সঙ্গে যাচাইপূর্বক জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে হবে।

বিপিসি জানায়, দেশে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি তেল ক্রয়/বিক্রয়ের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত মূল্য আদায় আইনগত অপরাধ। তাছাড়া, দেশে জ্বালানি তেলের মূল্যে প্রতিমাসের শুরুতে সরকার কর্তৃক নির্ধারণ করা হয়। বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার অদ্যবধি কোনোরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। এই অবস্থায় দেশের সব ভোক্তা/ডিলারদের নির্দেশনা অনুসরণ করে দেশের জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বিদেশ থেকে আমদানি কার্যক্রম/সূচি নির্ধারিত রয়েছে এবং নিয়মিত ভাবে পার্সেল দেশে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি ডিলারদের সাময়িক ভাবে প্রধান স্থাপনা হতে সারাদেশের সব ডিপোতে নিয়মিত ভাবে রেল ওয়াগণ/ট্যাংকারের মাধ্যমে প্রেরণ করা হচ্ছে। জনগণের চাহিদা মোতাবেক জ্বালানি তেল সরবরাহ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ/বিপিসি কর্তৃক এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।