জ্বালানি সরবরাহে নতুন পদক্ষেপ

জ্বালানি সরবরাহে নতুন পদক্ষেপ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:০৯

আপডেট: ৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১২

বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে নতুন করে ডিজেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

শনিবার অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. সিরাজ-উদ-দৌলা খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, কাজাখস্তানের কাজাখ গ্যাস প্রসেসিং প্ল্যান্ট এলএলপি থেকে ১ লাখ টন উচ্চগতির ডিজেল (এইচএসডি) আমদানি করা হবে। সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে প্রতি ব্যারেল ৭৫.০৬ ডলারে এই জ্বালানি সংগ্রহ করা হবে।

এর পাশাপাশি দেশের গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রাখতে সিঙ্গাপুরভিত্তিক আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড থেকে দুটি এলএনজি কার্গো আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এর আগে বৃহত্তর পরিসরে ডিজেল ও পেট্রোল আমদানির কিছু প্রস্তাব বিবেচনায় ছিল। মোট ১৬ লাখ টন ডিজেল এবং ১ লাখ টন পেট্রোল আমদানির পরিকল্পনা থাকলেও, এসব প্রস্তাবের কিছু অংশ পরে জ্বালানি বিভাগ প্রত্যাহার করে নেয়—যদিও সেগুলো অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন পেয়েছিল।

প্রত্যাহার করা পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক ডিবিএস ট্রেডিং হাউস এফজেডসিও থেকে ১০ লাখ টন ডিজেল ও ১ লাখ টন গ্যাসোলিন আমদানি, এবং ওমানের ম্যাক্সওয়েল ইন্টারন্যাশনাল এসপিসি থেকে ১ লাখ টন ডিজেল আনার প্রস্তাব।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে যে চাপ তৈরি হয়েছে, তার প্রভাব মোকাবিলায় সরকার বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহে গুরুত্ব দিচ্ছে। এই পদক্ষেপ দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।