বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, 'জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য আগামীতে আমরা নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সুইচ (স্থানান্তর) করবো।'
বুধবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে বিকেএমইএ কর্তৃক আয়োজিত বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল টেক্সটাইল, নিটিং ও গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি এক্সিবিশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, 'ইন্ডাস্ট্রিতে জ্বালানি নিরাপত্তা খুবই প্রয়োজনীয়। কোনো কারণে ডিজেল-গ্যাস আসা বন্ধ হয়ে গেলে কিন্তু কল কারখানা সব বন্ধ হয়ে যেত। সুতরাং জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য আগামীতে আমরা নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সুইচ করবো। সরকার একটা স্কিম ঘোষণা করতে যাচ্ছে, যার অধীনে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সোলার থেকে উৎপাদন করা হবে। আপনার আমার সমন্বিত উদ্যোগেই দেশকে অর্থনৈতিক ভাবে শক্তিশালী করা সম্ভব।'
তিনি বলেন, 'ইন্ডাস্ট্রিতে বর্তমানে যে সুদের হার রয়েছে আমরা সেটা কমিয়ে আনব। এই সুদের হারটা এমন হবে, যা নতুন বিজনেসকে সাপোর্ট করবে। জ্বালানির যে অব্যবস্থাপনা বর্তমানে রয়েছে, তা আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। গার্মেন্টসখাতে দরকার এখন ৪ হাজার ৩০০ এমএমসিএফ গ্যাস। অথচ প্রাকৃতিকখাত থেকে ১৭০০ এমএমসিএফ ও এলএনজি থেকে ৯০০ এমএমসিএফ আসে। চাইলেই এলএনজি সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব না, কারণ এফএসআরইউ রয়েছে মাত্র দুটি। আমরা এফএসআরইউ বাড়ানোর জন্য জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে আবেদন করবো।'
আব্দুল মুক্তাদির বলেন, 'আজকের দিনে নতুন একটি ব্যবসার জন্য আবেদন করা হলে, ২৫-২৬টা লাইসেন্স ও ক্লিয়ারেন্সের প্রয়োজন পড়ে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এ ধরনের স্ট্যামিনা থাকে না। ভবিষ্যতে আমরা এমন সিস্টেমে যাব, যাতে এপ্লাই করার সঙ্গে সঙ্গে প্রবেশনাল লাইসেন্স পাওয়া যাবে।'
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- এক্সিবিশনের কনভেনার ফজলে শামিম এহসান, ইনফরচেইন ডিজিটাল টেকনোলজি লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর স্পেনসার লিন, বিকেএমইএ প্রেসিডেন্ট মো. হাতেম প্রমুখ।
Tag:
আরো পড়ুন: