চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে আগামী দুই মাসে ৫০ হাজার টন অকটেন আমদানি করার পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এর পাশাপাশি ডিজেল ও ক্রুড অয়েল আমদানিও বাড়ানো হচ্ছে।
বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, চলতি এপ্রিল মাসে ৫৩ হাজার ৩৬৪ টন অকটেন আমদানি করা হয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কার্গো থেকে ডিজেল, অকটেন ও ফার্নেস অয়েল খালাস সম্পন্ন হয়েছে।
জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে সরকার রেশনিং ব্যবস্থা, সরবরাহ বৃদ্ধি এবং ফুয়েল পাস চালুর মতো পদক্ষেপ নিয়েছে। যদিও ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
তবে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কিছু ক্রুড অয়েল চালান ঝুঁকিতে পড়েছে এবং দেশের একমাত্র তেল পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।
বিপিসি জানিয়েছে, মে ও জুন মাসে বিপুল পরিমাণ ডিজেল, জেট ফুয়েল, অকটেন ও ফার্নেস অয়েল আমদানি করা হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ থেকে রিফাইন্ড ও ক্রুড অয়েল সংগ্রহ অব্যাহত থাকবে।
সংস্থাটি আরও জানায়, দেশীয় উৎপাদন ও আন্তর্জাতিক আমদানি—উভয় মাধ্যমেই জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
আরো পড়ুন: