বাধ্য হয়ে দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

বাধ্য হয়ে দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১ জুন, ২০২৬ ১৫:০৭

দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাধ্য হয়ে বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দেশের বাজারেও দ্রুত সেই অনুযায়ী সমন্বয় করা হবে।

সোমবার (১ জুন) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্য প্রতি মাসে নিয়মিতভাবে সমন্বয় করা হয়। এপ্রিল মাসে সমন্বয় হওয়ায় মে মাসে তা হয়নি। তবে আন্তর্জাতিক বাজার ও মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে বর্তমানে বাস্তবতা ভিন্ন হওয়ায় সরকার বাধ্য হয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ডিজেল দেশের মোট জ্বালানি ব্যবহারের প্রায় ৬৬ শতাংশ, তাই এতে সবচেয়ে বেশি ভর্তুকি দিতে হয়। সাধারণ মানুষের ওপর চাপ না বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই এতদিন মূল্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতির কারণে কিছু ক্ষেত্রে সমন্বয় করতে হয়েছে।

তেলের দাম ভবিষ্যতে আরও বাড়বে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দেশেও দ্রুত সমন্বয় করা হবে। সরকার আশা করছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দ্রুত সমাধান হবে এবং বিশ্ববাজার স্থিতিশীল হলে দেশেও দাম কমানো হবে।

তিনি বলেন, সরকার জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ। তাই আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমলে দেশের বাজারেও দ্রুত সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ৩১ মে রাতে ডিজেল ব্যতীত অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ৫ টাকা করে বাড়ানো হয়, যা ১ জুন থেকে কার্যকর হয়েছে।

নতুন দামের ফলে অকটেন ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৪৫ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৪০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ডিজেলের দাম আগের মতোই ১১৫ টাকা লিটার রাখা হয়েছে।