গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারে যাদেরকে বিরত থাকার নির্দেশ ইসির

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারে যাদেরকে বিরত থাকার নির্দেশ ইসির

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৯

আপডেট: ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২২:২৫

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোটকে সামনে রেখে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘হ্যা’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণায় অংশ নেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’- এর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়া থেকে তাদের বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে ইসি। 

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে একটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়।

ইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোট বিষয়ে জনগণকে কেবল অবহিত বা সচেতন করতে পারবেন। তবে তিনি কোনো ভাবেই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’- এর পক্ষে ভোট প্রদানের আহ্বান জানাতে পারবেন না।

নির্বাচন কমিশন জানায়, সরকারি কর্মকর্তাদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড গণভোটের ফলাফলকে সরাসরি প্রভাবিত করতে পারে। ফলে এটি গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং আরপিও, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী একটি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, উল্লিখিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

এই নির্দেশনা কঠোর ভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি), আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এছাড়া, বিষয়টি অবহিতকরণ ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে এর অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপিসহ সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একইসঙ্গে সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। সরকার ইতোমধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছে। সরকারের উপদেষ্টাদের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানও প্রচারে অংশ নিচ্ছে।