ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে বৃহস্পতিবার। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারাদেশে একযোগে ভোটগ্রহণ চলে। কোন আসনে কোন প্রার্থী জয়ী হলেন তা নিম্নে দেওয়া হলো-
ঢাকা বিভাগ
ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনে বেসরকারি ভাবে পাওয়া ফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী খোন্দকার আবু আশফাক। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৮১ ভোট। আর তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৬২২ ভোট।
ঢাকা-২ (কেরানীগঞ্জ উপজেলার তাড়ানগর, কলাতিয়া, হজরতপুর, রুহিতপুর, শাক্তা, কালিন্দি, ভাস্তা ইউনিয়ন; সাভার উপজেলার আমীনবাজার, তেতুলজোড়া ও ভার্কুতা ইউনিয়ন) আসনে ১ লাখ ৬৩ হাজার ২০ ভোট পেয়ে জিতেছেন বিএনপির আমানউল্লাহ আমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের কর্নেল (অব.) আব্দুল হক পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৬৫৫।
ঢাকা-৩ (কেরানীগঞ্জ উপজেলার জিনজিরা, আগানগর, তেঘরিয়া, কোন্ডা ও শুভাঢ্যা ইউনিয়ন) আসনে বেসরকারি ভাবে পাওয়া ফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শাহীনুল ইসলাম পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩২ ভোট।
ঢাকা-৪ (দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নম্বর-৪৭, ৫১, ৫২, ৫৩, ৫৪, ৫৮, ৫৯, ৬০ ও ৬১ এবং শ্যামপুর, কদমতলী) আসনে প্রাথমিক ফলাফলে প্রায় ৩ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা সৈয়দ জয়নুল আবেদীন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মোট ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী তানভীর আহমেদ পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪৪৭ ভোট।
ঢাকা-৫ (দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নম্বর-৪৮, ৪৯, ৫০,৬২, ৬৩, ৬৪, ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৬৮, ৬৯ ও ৭০ এবং যাত্রাবাড়ি, ডেমরা) আসনে প্রাথমিক ফলাফলে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মো. নবী উল্লাহকে হারিয়েছেন। মোহাম্মদ কামাল হোসেন পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৬৪১ ভোট। আর মো. নবী উল্লাহ পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৯১ ভোট।
ঢাকা-৬ (দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নম্বর-৩৪, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪২, ৪৩, ৪৪, ৪৫ ও ৪৬ এবং সুত্রাপুর, ওয়ারী, গেন্ডারিয়া, কোতোয়ালী আংশিক) আসনের বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মোট ৭৮ হাজার ৮৫০ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবদুল মান্নান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৯৭ ভোট। ইশরাক হোসেন ২৩ হাজার ১৫৩ ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে হারিয়েছেন।
ঢাকা-৭ (দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নম্বর- ২৩, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৫, ৩৬, ৫৬ ও ৫৭ এবং লালবাগ, চকবাজার, বংশাল, কামরাঙ্গীর চর আংশিক, কোতোয়ালী আংশিক) আসনে ১ লাখ ৪ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. এনায়েত উল্লা পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৪৮৩ ভোট। অর্থাৎ বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান ৬ হাজার ১৮৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।
ঢাকা-৮ (দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নম্বর-০৮, ০৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৯, ২০ ও ২১ এবং মতিঝিল, পল্টন, শাহবাগ, শাহজাহানপুর, রমনা) আসনে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ। তিনি ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মোহাম্মদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর চেয়ে ৫ হাজার ২৩৯ ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
ঢাকা-৯ (দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নম্বর- (সবুজবাগ, খিলগাঁও, মুগদা) ০১, ০২, ০৩, ০৪, ০৫, ০৬, ০৭, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪ ও ৭৫) আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি মোট ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া। তিনি পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৬০ ভোট। আর এ আসনে সাবেক এনসিপি নেত্রী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট।
ঢাকা-১০ (দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নম্বর- ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮, ২২ ও ৫৫ এবং ধানমন্ডি, নিউ মার্কেট, কলাবাগান, হাজারীবাগ) আসনের ভোটে বেসরকারি ভাবে পাওয়া ফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ রবিউল আলম। তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মো. জসীম উদ্দীন সরকারের তুলনায় ৩ হাজার ৩০০ ভোট বেশি পেয়েছেন। নির্বাচনে শেখ রবিউল আলম মোট ৮০ হাজার ৪৩৬ ভোট পেয়েছেন। আর জসীম উদ্দীন পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১৩৬ ভোট। এই আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৩৭টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়। ভোটের হার ছিল ৪৩ শতাংশ।
ঢাকা-১১ (উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নম্বর- ২১, ২২, ২৩, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১ ও ৪২ এবং বাড্ডা, ভাটারা, রামপুরা) আসনের প্রাথমিক ফলাফলে দুই হাজার ভোটের ব্যবধানে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। এই আসন থেকে শাপলা কলি প্রতীকে তিনি মোট ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়েছেন। নাহিদ ইসলামের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম। তিনি পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট।
ঢাকা-১২ (উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নম্বর- ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ৩৫ ও ৩৬ এবং তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, হাতিরঝিল, শের-ই-বাংলা নগর আংশিক) আসনে জিতেছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. সাইফুল আলম। এ আসনে তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি মোট ৫৩ হাজার ৭৭৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কোদাল প্রতীকের প্রার্থী সাইফুল হক। তিনি বিএনপি জোটের প্রার্থী। তিনি পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৬৩ ভোট।
ঢাকা-১৩ (উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নম্বর- ২৮, ২৯, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩ ও ৩৪ এবং মোহাম্মদপুর, আদাবর, শের-ই-বাংলা নগর আংশিক) আসনে বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭টি ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মামুনুল হকের চেয়ে ২ হাজার ৩২০ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি। ববি হাজ্জাজ মোট ভোট পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭। অন্যদিকে মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭টি।
ঢাকা-১৪ (উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নম্বর-০৭, ০৮, ০৯, ১০, ১১ ও ১২ এবং সাভার উপজেলার কাউন্দিয়া ও বনগাঁও ইউনিয়ন (মিরপুর, শাহ আলী, দারুসালাম)) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মীর আহমাদ বিন কাসেম বেসরকারি ভাবে জয়ী হয়েছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মীর আহমাদ বিন কাসেম মোট ১ লাখ ১ হাজার ১১৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সানজিদা ইসলাম পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৩২৩ ভোট।
ঢাকা-১৫ (উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নম্বর- ০৪, ১৩, ১৪ ও ১৬ এবং কাফরুল) আসনে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ৮৫ হাজার ১৩১টি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫১৭ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে জামায়াতের আমির ২১ হাজার ৬১৪ ভোট বেশি পেয়েছেন।
ঢাকা-১৬ (উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নম্বর- ০২, ০৩, ০৫ ও ০৬ এবং রুপনগর, পল্লবী) আসনের ভোটে বেসরকারি ফলে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল বাতেন। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. আমিনুল হকের চেয়ে ৩ হাজার ৩৬১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন৷ নির্বাচনে আব্দুল বাতেন মোট ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়েছেন। আর আমিনুল হক পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।
ঢাকা-১৭ (উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নম্বর- ১৫, ১৮, ১৯ ও ২০ এবং ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা (গুলশান, বনানী)) আসনের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী স ম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৪ হাজার ৩৯৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন তারেক রহমান।
ঢাকা-১৮ (উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নম্বর- ০১, ১৭, ৪৩, ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৪৭, ৪৮, ৪৯, ৫০, ৫১, ৫২, ৫৩, ৫৪ ও বিমানবন্দর এলাকা (বৃহত্তর উত্তরার ৬টি থানা)) আসনে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মোট (পোস্টাল ব্যালটসহ) ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭১৫ ভোট পেয়েছেন। আর এনসিপির প্রার্থী আরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২৯৭ ভোট।
ঢাকা-১৯ (সাভার উপজেলার শিমুলিয়া, ধামসোনা, ইয়ারপুর, আশুলিয়া, বিরুলিয়া, পাথালিয়া ও সাভার ইউনিয়ন; সাভার পৌরসভা এবং সাভার সেনানিবাস এলাকা) আসনে বিএনপির প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির প্রার্থী দিলশানা পারুল পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৮৩ ভোট।
ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে বেসরকারি ভাবে ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী মো. তমিজ উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আসনটির ১৪৭টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬০ হাজার ৪২৮ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী এনসিপির নাবিলা তাসনিদ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৪৩ ভোট।
টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বিএনপি প্রার্থী ফকির মাহবুব আনাম ১,৫৪,৫৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী আব্দুল্লাহেল কাফি পেয়েছেন ৯২,৭৮১ ভোট।
টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনে বিএনপির আব্দুস সালাম পিন্টু ধানের শীষ প্রতীকে ১,৯৪,৩৫৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। জামায়াত প্রার্থী হুমায়ুন কবির পেয়েছেন ৫৭,৫১৬ ভোট।
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে স্বতন্ত্র (বিএনপি) প্রার্থী মো. লুৎফর রহমান খান আজাদ মোটরসাইকেল প্রতীকে ৯০,৭৫৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। বিএনপি প্রার্থী ওবায়দুল হক নাসির পেয়েছেন ৬৮,০৯৯ ভোট।
টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে বিএনপির লুৎফর রহমান মতিন ৯১,৫৯৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী পেয়েছেন ৫৩,৫৭৪ ভোট।
টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু ১,২৯,৯৪৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। জামায়াত প্রার্থী আহসান হাবিব মাসুদ পেয়েছেন ৭৮,৫১৫ ভোট। বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরহাদ ইকবাল পেয়েছেন ৬৮,৭২৮ ভোট।
টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে বিএনপির মো. রবিউল আওয়াল ১,৮৯,২০৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। জামায়াত প্রার্থী এ কে এম আব্দুল হামিদ পেয়েছেন ৮৭,৯০৪ ভোট।
টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে বিএনপির আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ১,৪১,৩১৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। জামায়াত প্রার্থী আব্দুল্লাহ ইবনে আবুল হোসেন পেয়েছেন ৭০,০৫১ ভোট।
টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে বিএনপির আহমেদ আযম খান ১,১৫,১৩৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাহউদ্দিন আলমগীর রাসেল পেয়েছেন ৭৫,৩৭৩ ভোট।
গাজীপুর-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মো. মজিবুর রহমানের পেয়েছেন ২ লাখ ৭৮ হাজার ০৬৮ ভোট। তার নিকটম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শাহ আলম বকশী পেয়েছেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৮৭ ভোট।
গাজীপুর- ২ আসনে মোট ২৭২টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৫৮টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনজুরুল করিম রনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৭৮ হাজার ১৪০ ভোট এবং ১১ দলীয় প্রার্থী এনসিপির আলী নাসের খান (শাপলা কলি) প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩০ হাজার ৯৬ ভোট।
গাজীপুর- ৩ আসনে ১৮০ কেন্দ্রের সবগুলোতে বিএনপির প্রার্থী রফিকুল ইসলাম বাচ্চু (ধানের শীষ) প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ২১৪ ভোট এবং ১১ দলীয় জোটের পক্ষে খেলাফত মজলিসের মাওলানা এহসানুল হক (রিক্সা) প্রতীকে পেয়েছেন- ৬৬ হাজার ২০২ ভোট।
গাজীপুর-৪ আসনের মোট কেন্দ্র ১২৩টি। এ কেন্দ্রের মধ্যে সবকটি ফলাফলে জামায়াতের প্রার্থী সালাউদ্দিন আইউবী (দাড়িপাল্লা) পেয়েছেন-৫৯ হাজার৩৫৯টি এবং বিএনপির (ধানের শীষ) প্রার্থী শাহ রিয়াজুল হান্নান পেয়েছেন-৪৮ হাজার ৮৬৯টি।
গাজীপুর-৫ আসনে মোট ১২৫টি কেন্দ্রের সবকটিতে বিএনপির প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হক মিলন (ধানের শীষ) প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৯৭ ভোট এবং জামায়াতে ইসলামীর মো. খাইরুল হাসান (দাঁড়িপাল্লা) মার্কায় পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৮৯১ ভোট।
নারায়ণগঞ্জ-১: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া।
নারায়ণগঞ্জ-২: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম আজাদ।
নারায়ণগঞ্জ-৩: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান।
নারায়ণগঞ্জ-৫: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম।
কিশোরগঞ্জ-১: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম।
কিশোরগঞ্জ-২: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন।
কিশোরগঞ্জ-৩: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক।
কিশোরগঞ্জ-৪: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মো. ফজলুর রহমান।
কিশোরগঞ্জ-৫: স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল।
কিশোরগঞ্জ-৬: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মো. শরীফুল আলম।
মুন্সীগঞ্জ-১: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী শেখ মো. আব্দুল্লাহ।
মুন্সীগঞ্জ-২: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আব্দুস সালাম আজাদ।
মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান রতন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৮৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মহিউদ্দিন ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২২৭ ভোট। এছাড়া ১১ দলীয় জোটের খেলাফত মজলিসের প্রার্থী নূর হোসাইন নূরানী রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৯ হাজার ৫৪১ ভোট।
মানিকগঞ্জ-১: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবীর।
মানিকগঞ্জ-২: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মঈনুল ইসলাম খান।
মানিকগঞ্জ-৩: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আফরোজা খানম।
শরীয়তপুর-১: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম।
শরীয়তপুর-২: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শফিকুর রহমান কিরণ।
শরীয়তপুর-৩: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।
মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনে বেসরকারি ফলাফলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ মনোনীত রিকশা প্রতীকের প্রার্থী সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা জয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৬৪ হাজার ৯০৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নাদিরা আক্তার ৬৪ হাজার ৫২৪ ভোট পেয়েছেন।
মাদারীপুর-২ (রাজৈর ও সদরের একাংশ) আসনে বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জাহান্দার আলী মিয়া জয়ী হয়েছেন। তিনি ৬১ হাজার ৭৪৪ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মিল্টন বৈদ্য ৪৬ হাজার ৪৭৬ ভোট পেয়েছেন।
মাদারীপুর-৩ আসন (কালকিনি, ডাসার ও সদরের একাংশ) আসনে বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আনিসুর রহমান তালুকদার জয়ী হয়েছেন। তিনি ৯৭ হাজার ২০২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের রফিকুল ইসলাম মৃধা ৮৭ হাজার ৩৩১ ভোট পেয়েছেন।
রাজবাড়ী-১: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
রাজবাড়ী-২: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. হারুন-অর-রশিদ।
ফরিদপুর-১: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ইলিয়াস মোল্যা।
ফরিদপুর-২: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু।
ফরিদপুর-৩: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ।
ফরিদপুর-৪: বিএনপি প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল।
গোপালগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিমুজ্জামান মোল্যা ৬৮ হাজার ৮৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গণঅধিকার পরিষদের মো. কাবির মিয়া পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৯৬১ ভোট।
গোপালগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি মনোনীত কে এম বাবর ৪০ হাজার ৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এম এইচ খান মঞ্জু পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৯ ভোট।
গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত এস এম জিলানী ৬০ হাজার ১৬৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৮৬৭ ভোট।
নরসিংদী-১: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খায়রুল কবির খোকন।
নরসিংদী-২: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. আব্দুল মঈন খান।
নরসিংদী-৩: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনজুর এলাহী।
নরসিংদী-৪: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
নরসিংদী-৫: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. আশরাফ উদ্দিন।
রাজশাহী বিভাগ
রাজশাহী-১: জামায়াত ইসলামের প্রার্থী মজিবুর রহমান।
রাজশাহী-২: বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু।
রাজশাহী-৩: বিএনপির প্রার্থী শফিকুল হক মিলন।
রাজশাহী-৪: জামায়াত ইসলামের প্রার্থী আবদুল বারী সরদার।
রাজশাহী-৫: বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম।
রাজশাহী-৬: বিএনপির প্রার্থী আবু সাইদ চাঁদ।
জয়পুরহাট-১: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. ফজলুর রহমান সাঈদ।
জয়পুরহাট-২: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল বারী।
বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা) আসনে বিএনপির কাজী রফিকুল ইসলাম জয় লাভ করেছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭১ হাজার ৪৪০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. শাহাবুদ্দিন ৫৭ হাজার ৯৫৯ ভোট পেয়েছেন। এই আসনে গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ২৪৯ জন, আর না ভোট পড়েছে ৬০ হাজার ৭০২টি।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে বিজয়ী হয়েছে বিএনপির প্রার্থী মীর শাহে আলম। তিনি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদাতুজ্জামান ৯৩ হাজার ৫৪৮ ভোট পেয়েছেন। এই আসনে গণভোটে 'হ্যাঁ' এর পক্ষে রায় দিয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ৩৮ জন, আর না এর পক্ষে রায় দিয়েছেন ৫১ হাজার ৭৯০ জন।
বগুড়া-৩ (আদমদিঘী-দুপচাঁচিয়া) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আবদুল মহিত তালুকদার। তিনি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৪০৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী আবু তাহের নূর মোহাম্মদ ১ লাখ ১১ হাজার ২৬ ভোট পেয়েছেন। এই আসনে 'হ্যাঁ' ভোট পড়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৭টি, আর এই আসনে না ভোট দিয়েছেন ৬৭ হাজার ৬০৪ জন।
বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম ও কাহালু) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ও বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৩৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামের মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ১ লাখ ৮ হাজার ৯৭৮ ভোট পেয়েছেন। এ আসনের গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষে রায় পড়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৬৪৩টি। আর এই আসনে না ভোট দিয়েছেন ৬৪ হাজার ৯৮০ জন।
বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৪১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক গোলাম মো. সিরাজ। এই আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থী দবিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৯ ভোট। এই আসনে গণভোটে 'হ্যাঁ' এর পক্ষে রায় দিয়েছেন ২ লাখ ৪৬ হাজার ৪১৬ জন, আর না ভোট দেন ১ লাখ ৫ হাজার ৬৪৩ জন।
বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বেসরকারি ভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ১৫০টি কেন্দ্রে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী- ধানের শীষ প্রতীকে তারেক রহমান পেয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট পেয়েছেন। গণভোটে এই আসনে 'হ্যাঁ' ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৭৯ জন, আর না ভোট পড়েছে ৮০ হাজার ২০৩ ভোট।
বগুড়া- ৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মোরশেদ মিলটন বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। এই আসনে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৬২ হাজার ৫০১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থী মো. গোলাম রাব্বানী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ১৮৪ ভোট।
নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৮৫ ভোট পেয়ে বিজয় লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিবন্ধী বিএনপির (বহিষ্কৃত) বিদ্রোহী প্রার্থী দাউদার মাহমুদ ঘোড়া প্রতিকে পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৩০৯ ভোট।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. কেরামত আলী।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মু. মিজানুর রহমান।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম।
নওগাঁ-১: বিএনপির মনোনিত প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
নওগাঁ-২: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. এনামুল হক।
নওগাঁ-৩: বিএনপির মনোনিত প্রার্থী মো. ফজলে হুদা।
নওগাঁ-৪: বিএনপির মনোনিত প্রার্থী ইকরামুল বারী টিপু।
নওগাঁ-৫: বিএনপির মনোনিত প্রার্থী মো. জাহিদুল ইসলাম ধলু।
নওগাঁ-৬: বিএনপির মনোনিত প্রার্থী শেখ মো. রেজাউল ইসলাম।
নাটোর-১: বিএনপি মনোনিত প্রার্থী ফারজানা শারমীন।
নাটোর-২: বিএনপি মনোনিত প্রার্থী এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
নাটোর-৩: বিএনপি মনোনিত প্রার্থী মো. আনোয়ারুল ইসলাম।
নাটোর-৪: বিএনপি মনোনিত প্রার্থী মো. আব্দুল আজিজ।
সিরাজগঞ্জ-১: বিএনপি মনোনিত প্রার্থী মো. সেলিম রেজা।
সিরাজগঞ্জ- ২: বিএনপি মনোনিত প্রার্থী ইকবাল হাসান মাহ্মুদ।
সিরাজগঞ্জ-৩: বিএনপি মনোনিত প্রার্থী মো. আয়নুল হক।
সিরাজগঞ্জ-৪: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম খান।
সিরাজগঞ্জ-৫: বিএনপি মনোনিত প্রার্থী মো. আমিরুল ইসলাম খান।
সিরাজগঞ্জ-৬: বিএনপি মনোনিত প্রার্থী এম. এ. মুহিত।
পাবনা-১: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান।
পাবনা-২: বিএনপি মনোনিত প্রার্থী এ. কে. এম. সেলিম রেজা হাবিব।
পাবনা-৩: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আলী আজগর।
পাবনা-৪: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল।
পাবনা-৫: বিএনপি মনোনিত প্রার্থী মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
চট্টগ্রাম বিভাগ
চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনে বিএনপির প্রার্থী নুরুল আমিন (ধানের শীষ) ১ লাখ ২৮ হাজার ৭৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতের ছাইফুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৫৩৮ ভোট।
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের ফলাফল স্থগিত।
চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোস্তফা কামাল পাশা ৭৩ হাজার ৩৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর আলাউদ্দীন সিকদার পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৬৬২ ভোট।
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও চসিক আংশিক) আসনের ফলাফল স্থগিত।
চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (ধানের শীষ) ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৪০ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের মাওলানা মো. নাসির উদ্দীন মুনির (রিকশা) পেয়েছেন ৩২ হাজার ৭০৮ ভোট।
চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বিএনপি প্রার্থী দলের ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ১ লাখ ১১ হাজার ২০১ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী মোহাম্মদ ইলিয়াছ নূরী (মোমবাতি) পেয়েছেন ২৬ হাজার ৬৯৭ ভোট।
চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসন থেকে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত বিএনপি প্রার্থী শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পুত্র হুমাম কাদের চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৪৪৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. এ টি এম রেজাউল করিম পেয়েছেন ৪১ হাজার ৭১৯ ভোট।
চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ (ধানের শীষ) ৭৯ হাজার ২০৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ডা. আবু নাসের (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৭৪৭ ভোট।
চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান (ধানের শীষ) ১ লাখ ৯ হাজার ৩৮৮ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. একেএম ফজলুল হক (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪০৭ ভোট।
চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-পাহাড়তলী-খুলশী) আসনে বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমান (ধানের শীষ) ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬৪ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে প্রার্থী মুহাম্মদ শামসুজ্জমান হেলালী (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪০৭ ভোট।
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (ধানের শীষ) ১ লাখ ১৫ হাজার ২১ পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ শফিউল আলম (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৭৫২ ভোট।
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী এনামুল হক এনাম ১ লাখ ৩৫ হাজার ৪৪ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী ফ্রন্টের ছৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু (মোমবাতি) পেয়েছেন ২৮ হাজার ৯৯৯ ভোট।
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার জামাল নিজাম ১ লাখ ২৬ হাজার ১৯২ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী ফ্রন্টের এসএম শাহজাহান (মোমবাতি) পেয়েছেন ৫১ হাজার ৪৫০ ভোট।
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপির প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমদ ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদের পুত্র ছাতা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক ওমর ফারুক পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।
চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী (দাঁড়িপাল্লা) ১ লাখ ৮১ হাজার ২৩৮ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমীন (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৬১ ভোট।
চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা) ৯৩ হাজার ১৬৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা (ধানের শীষ প্রতীক) পেয়েছেন ৮৩ হাজার ১০৫ ভোট।
কুমিল্লা-১ আসনে বিএনপির ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন জয়ী।
কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপির সেলিম ভূঁইয়া জয়ী।
কুমিল্লা-৩ আসনে বিএনপির মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ জয়ী।
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহকে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলাম।
তিনি বলেন, দেবিদ্বার আসনে ১১৬টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। সবগুলো কেন্দ্রতেই হাসনাত আবদুল্লাহ বিজয়ী হয়েছেন।
এ আসনে হাসনাতের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত এবং বিএনপির সমর্থিত ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী জসীম উদ্দিন। বিকেল ৫টার দিকে ফেসবুক লাইভে এসে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন জসীম উদ্দিন।
কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপির মনিরুল হক চৌধুরী জয়ী।
কুমিল্লা-৮ আসনে বিএনপির জাকারিয়া তাহের জয়ী।
কুমিল্লা-৯ আসনে বিএনপির আবুল কালাম জয়ী।
কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির মোবাশ্বের আলম জয়ী।
কুমিল্লা-১১ জামায়াতের আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জয়ী।
ফেনী-১: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুন্সি রফিকুল আলম মজনু।
ফেনী-২: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক জয়নাল আবদিন ভিপি।
ফেনী-৩: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ): মোট কেন্দ্র ৯৩। ধানের শীষ (শাহাদাত হোসেন সেলিম) ৮৫,৪৫৭, শাপলাকলি (মাহবুব আলম) ৫৬,৪৩৭। ২৯,০২০ ভোটে ধানের শীষ এগিয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী।
লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদর আংশিক): মোট কেন্দ্র ১৫১। ধানের শীষ (আবুল খায়ের ভূইঁয়া) ১,৪৫,১২৪, দাঁড়িপাল্লা (রুহুল আমিন ভূইঁয়া) ১,২৭,৯৪৯। ১৭,১৭৫ ভোটে ধানের শীষ বিজয়ী।
লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর): মোট কেন্দ্র ১৩০ (সব কেন্দ্রের ফল)। ধানের শীষ (শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি) ১,৩৩,৭৬৫, দাঁড়িপাল্লা (রেজাউল করিম) ১,১৭,৭৭৯। ১৫,৯৮৬ ভোটে ধানের শীষ বিজয়ী।
লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর): মোট কেন্দ্র ১২২। ধানের শীষ (এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান) ১,১৩,৭২৫, দাঁড়িপাল্লা (মো. আশরাফুর রহমান হাফিজ উল্যা) ৭১,১৫৯। ৪২,৫৬৬ ভোটে ধানের শীষ এগিয়ে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী।
নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মাহাবুব উদ্দিন খোকন এক লাখ ২৬ হাজার ৮৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. ছাইফ উল্যাহ (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৩৬ ভোট।
নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-কোম্পানীগঞ্জ) আসনে বিএনপির জয়নুল আবদিন ফারুক ধানের শীষ প্রতীকে ৮৩ হাজার ৯৮২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া (শাপলা কলি) পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৫৪ ভোট।
নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনে বিএনপির বরকত উল্লাহ বুলু ধানের শীষ প্রতীকে এক লাখ ৪১ হাজার ৩১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের বোরহান উদ্দিন পেয়েছেন এক লাখ ২৩ হাজার ৯৪১ ভোট।
নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মো. শাহজাহান দুই লাখ ১৯ হাজার ১৮২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইসহাক খন্দকার পেয়েছেন এক লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৯ ভোট।
নোয়াখালী-৫ (কবিরহাট-হাতিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে এক লাখ ৪৭ হাজার ৮০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন এক লাখ ২০ হাজার ৪৫৩ ভোট।
নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে এনসিপির প্রার্থী আবদুল হান্নান মাসউদ শাপলা কলি প্রতীকে ৯০ হাজার ১১৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহবুবের রহমান শামীম ধানের শীষ প্রতীকে ৬৩ হাজার ৩৭২ ভোট পেয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ : রুমিন ফারহানা (স্বতন্ত্র-হাঁস)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ : মো. খালেদ হোসেন মাহবুব (বিএনপি-ধানের শীষ)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ : মুশফিকুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ : এম এ মান্নান (বিএনপি-ধানের শীষ)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ : মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (গণসংহতি আন্দোলন-মাথাল) (বিএনপি সমর্থিত)
চাঁদপুর-১ : আ ন ম এহছানুল হক মিলন (বিএনপি-ধানের শীষ)
চাঁদপুর-২ : মো. জালাল উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
চাঁদপুর-৩ : শেখ ফরিদ আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
চাঁদপুর-৪ : এম এ হান্নান (স্বতন্ত্র-চিংড়ি মাছ)
চাঁদপুর-৫ : মো. মমিনুল হক (বিএনপি-ধানের শীষ)
কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ লাখ ২০ হাজার ৫৬৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুখ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৭২৬ ভোট।
কক্সবাজার-২: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ।
কক্সবাজার-৩: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল।
কক্সবাজার-৪: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী।
বান্দরবান: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী।
রাঙামাটি আসনে ধানের শীষ প্রতীকে অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান মোট দুই লাখ ১ হাজার ৮৪৪ ভোট পেয়ে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা পেয়েছেন ৩১ হাজার ১৪২ ভোট।
খাগড়াছড়ি আসনে বিএনপির ওয়াদুদ রিয়া জয়।
খুলনা বিভাগ
খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমীর এজাজ খান ১ লাখ ২১ হাজার ৩৫২ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী পেয়েছেন ৭০ হাজার ৩৪৬ ভোট।
খুলনা-২ (খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১৬ থেকে ৩১ নং ওয়ার্ডসমূহ) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল ৯৩ হাজার ৭৮৯ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছেন ৮৮ হাজার ১৯৭ ভোট।
খুলনা-৩ (খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১ থেকে ১৫ নং ওয়ার্ডসমূহ এবং দিঘলিয়া উপজেলার আড়ংঘাটা ও যোগীপোল ইউনিয়ন) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল ৭৮ হাজার ৮৪৫ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান পেয়েছেন ৬৬ হাজার ১০ ভোট।
খুলনা-৪ (রূপসা উপজেলা, দিঘলিয়া উপজেলা (আড়ংঘাটা ও যোগীপোল ইউনিয়ন ব্যতীত) এবং তেরখাদা উপজেলা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল ১ লাখ ২৩ হাজার ১৬২ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৫৩০ ভোট।
খুলনা-৫ (গিলাতলা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা, ফুলতলা ও ডুমুরিয়া) আসনে আলি আসগর লবি ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮৫৪ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৪৬ ভোট।
খুলনা-৬ (পাইকগাছা ও কয়রা) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ১ লাখ ৫০ হাজার ৭২৪ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পি পায় ১ লাখ ২৪ হাজার ৭১০ ভোট।
বাগেরহাট-১: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মশিউর রহমান।
বাগেরহাট-২: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ।
বাগেরহাট-৩: বিএনপির শেখ ফরিদুল ইসলাম।
বাগেরহাট-৪: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল আলিম।
সাতক্ষীরা-১ : ইজ্জত উল্লাহ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
সাতক্ষীরা-২ : মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
সাতক্ষীরা-৩ : মুহাদ্দিস রবিউল বাশার (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
সাতক্ষীরা-৪ : গাজী নজরুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
চুয়াডাঙ্গা-১ : অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
চুয়াডাঙ্গা-২ : মো. রুহুল আমিন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
কুষ্টিয়া-১ : রেজা আহমেদ বাচ্চু (বিএনপি-ধানের শীষ)
কুষ্টিয়া-২ : মো. আব্দুল গফুর (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
কুষ্টিয়া-৩ : মুফতি আমির হামজা (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
কুষ্টিয়া-৪ : মো. আফজাল হোসেন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
মাগুরা-১ : মো. মনোয়ার হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
মাগুরা-২ : নিতাই রায় চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩৮১ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে বিএনপির মো. আসাদুজ্জামান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবু সালেহ মো. মতিয়ার রহমান পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৫৫ ভোট।
ঝিনাইদহ-২ (হরিণাকুণ্ডু-সদর উপজেলা (মহারাজপুর, ফুরসন্দি, ঘোড়শাল ও নলডাঙ্গা ইউনিয়ন ব্যতীত)) আসনে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৭০ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আলী আজম মো. আবুবকর নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আবদুল মজিদ পেয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ৯৮৪ ভোট।
ঝিনাইদহ-৩ (কোটচাঁদপুর-মহেশপুর) আসনে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮৫৭ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিয়ার রহমান (দাঁড়িপাল্লা) নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী (ধানের শীষ) মেহেদী হাসান পেয়েছেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮৫৭ ভোট।
ঝিনাইদহ-৪ (সদর উপজেলার মহারাজপুর, ফুরসন্দি, ঘোড়শাল ও নলডাঙ্গা ইউনিয়ন এবং কালীগঞ্জ উপজেলা) আসনে ১ লাখ ৫ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবু তালিব (দাঁড়িপাল্লা) নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (বিএনপির বিদ্রোহী) স্বতন্ত্র প্রার্থী (কাপ পিরিচ) পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১০৪ ভোট।
যশোর-১ : মুহাম্মাদ আজীজুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
যশোর-২ : মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
যশোর-৩ : অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (বিএনপি-ধানের শীষ)
যশোর-৪ : মো. গোলাম রছুল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
যশোর-৫ : গাজী এনামুল হক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
যশোর-৬ : মো. মোক্তার আলী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
মেহেরপুর-১ (সদর ও মুজিবনগর) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী তাজউদ্দীন খান ১ লাখ ২২ হাজার ৮২৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাসুদ অরুন পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ২২৪ ভোট। এ আসনে বিজয়ের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৬০৫ ভোটে।
মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী নাজমুল হুদা ৯৪ হাজার ১৬৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আমজাদ হোসেন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৬৮৯ ভোট। দু’জনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৮ হাজার ৪৭৯।
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকূপা) আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জয়ী হয়েছেন। এ আসনে ১১৭টি ভোটকেন্দ্রে আসাদুজ্জামান পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৯৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আবু সালেহ মো. মতিয়ার রহমান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৫৭৭ ভোট। বেসরকারি ফল অনুযায়ী, আসাদুজ্জামান ১ লাখ ১৬ হাজার ২১ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।
নড়াইল-১ : বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)
নড়াইল-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. আতাউর রহমান বাচ্চু (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ১,১৮,১৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মনিরুল ইসলাম (কলস) পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৪৫৭ ভোট।
রংপুর বিভাগ
রংপুর-১ (গংগাচড়া ও রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ১ থেকে ৮ নং ওয়ার্ডসমূহ) আসনের মোট ১৩৯টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. রায়হান সিরাজী পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের মোকারম হোসেন সুজন পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৪০৭ ভোট। হাতপাখা প্রতীকের এ টি এম গোলাম মোস্তফা পেয়েছেন ২ হাজার ৩২৫ ভোট।
রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আসনের ১৩৭টি কেন্দ্রের ফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জামায়াত প্রার্থী এ টি এম আজহারুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৮০ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকের মোহাম্মদ আলী সরকার পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯১০ ভোট। লাঙ্গল প্রতীকের আনিছুর ইসলাম মণ্ডল পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৬৮৯ ভোট এবং হাতপাখা প্রতীকের মো. আশরাফ আলী পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৫৬ ভোট।
রংপুর-৩ (সদর উপজেলা এবং রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ৯ থেকে ৩৩ নং ওয়ার্ডসমূহ) আসনের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণার পর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল) ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮২৭ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। বিএনপি প্রার্থী শামসুজ্জামান সামু ৮৪ হাজার ৫৭৮ ভোট পান। এ আসনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের ৪৩ হাজার ১৮৫ ভোট পায়।
রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনের ১৬৩টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফলাফলে ১১ দলীয় জোটের শরীক শাপলা কলি প্রতীকের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৪৭ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকের এমদাদুল হক ভরসা পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬১৬ ভোট।
রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনের ১৫২টি কেন্দ্রের ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জামায়াত প্রার্থী মো. গোলাম রব্বানী পেয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ২০৮ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ১৪১ ভোট।
রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনের ১১৪টি কেন্দ্রের ফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জামায়াত প্রার্থী নুরুল আমীন পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৮৯০ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকের সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৯১৯ ভোট। লাঙ্গল প্রতীকের নুর আলম মিয়া পেয়েছেন ১ হাজার ২৬৪ ভোট। স্বল্প ব্যবধানে এ আসনে বিজয়ী হয়েছে জামায়াত।
দিনাজপুর-১ : মঞ্জুরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
দিনাজপুর-২ : সাদিক রিয়াজ চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
দিনাজপুর-৩ : সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)
দিনাজপুর-৪ : আখতারুজ্জামান মিয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
দিনাজপুর-৫ : এ, জেড, এম, রেজওয়ানুল হক (স্বতন্ত্র-তালা)
দিনাজপুর-৬ : ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
লালমনিরহাট-১ : মো. হাসান রাজীব প্রধান (বিএনপি-ধানের শীষ)
লালমনিরহাট-২ : রোকন উদ্দীন বাবুল (বিএনপি-ধানের শীষ)
লালমনিরহাট-৩ : আসাদুল হাবিব দুলু (বিএনপি-ধানের শীষ)
নীলফামারী-১ : আব্দুস সাত্তার (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
নীলফামারী-২ : আল ফারুক আব্দুল লতিফ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
নীলফামারী-৩ : ওবায়দুল্লাহ সালাফি (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
নীলফামারী-৪ : হাফেজ আব্দুল মুত্তাকিম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
গাইবান্ধা-১ : অধ্যাপক মাজেদুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
গাইবান্ধা-২ : মো. আব্দুল করিম সরকার (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
গাইবান্ধা-৩ : মাওলানা নুরুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
গাইবান্ধা-৪ : শামীম কাওছার লিংকন (বিএনপি-ধানের শীষ)
গাইবান্ধা-৫ : বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
ঠাকুরগাঁও-১ : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (বিএনপি-ধানের শীষ)
ঠাকুরগাঁও-২ : ডা. আব্দুস সালাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
ঠাকুরগাঁও-৩ : জাহিদুর রহমান জাহিদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
কুড়িগ্রাম-১ : আনোয়ারুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
কুড়িগ্রাম-২ : ড. আতিকুর রহমান মুজাহিদ (এনসিপি-শাপলা কলি)
কুড়িগ্রাম-৩ : ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
কুড়িগ্রাম-৪ (রৌমারী, চর রাজিবপুর ও চিলমারী) আসনের বেসরকারি ফলাফলে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ৭৮ হাজার ৯৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আজিজুর রহমান ৫৭ হাজার ৯৪৫ ভোট সংগ্রহ করেছেন। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হাফিজুর রহমান ৯ হাজার ৪৪৯ ভোট পেয়েছেন।
পঞ্চগড়-১ (সদর-তেঁতুলিয়া-আটোয়ারী) আসনে বেসরকারি ভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নওশাদ জমির। ধানের শীষের প্রতিকে তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৭৪ হাজার ৪৩০ ভোট। এছাড়া পোষ্টাল ব্যালটে তিনি পেয়েছেন এক হাজার ৭৩৯ বোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র সারজিস আলম শাপলা কলি প্রতিকে পেয়েছেন এক লাখ ৬৬ হাজার ১২৬ ভোট। সারজিস পোষ্টাল ব্যালটে পেয়েছেন এক হাজার ৯২৩ ভোট।
পঞ্চগড়-২ (বোদা-দেবীগঞ্জ) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে বিএনপির ফরহাদ হোসেন আজাদ। ধানের শীষ প্রতিকে তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৭৪ হাজার ৬৫০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের সফিউল আলম (সফিউল্লাহ সুফি) দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে পেয়েছেন এক লাখ ২৮ হাজার ৮৬২ ভোট।
বরিশাল বিভাগ
বরিশাল-১ : জহিরুদ্দিন স্বপন (বিএনপি-ধানের শীষ)
বরিশাল-২ : সরফুদ্দিন সরদার সান্টু (বিএনপি-ধানের শীষ)
বরিশাল-৩ : অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন (বিএনপি-ধানের শীষ)
বরিশাল-৪ : রাজীব আহসান (বিএনপি-ধানের শীষ)
বরিশাল-৫ : মজিবর রহমান সরোয়ার (বিএনপি-ধানের শীষ)
বরিশাল-৬ : আবুল হোসেন খান (বিএনপি-ধানের শীষ)
পটুয়াখালী-১ : আলতাফ হোসেন চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
পটুয়াখালী-২ : ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
পটুয়াখালী-৩ : মো. নুরুল হক (গণঅধিকার পরিষদ ট্রাক) (বিএনপি সমর্থিত)
পটুয়াখালী-৪ : মোশাররফ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
ভোলা-১ (সদর) আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী আন্দালিভ রহমান পার্থ (বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি -বিজেপি) গরুর গাড়ি প্রতীকে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৪৩ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নজরুল ইসলাম (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী) দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৩৭৩ ভোট।
ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হাফিজ ইব্রাহিম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৫ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফজলুল করিম (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী) দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৭০৩ ভোট।
ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম) ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৯০ ভোট পেয়ে সপ্তমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নিজামুল হক (বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির প্রার্থী) ফুলকপি প্রতীকে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৩৫১ ভোট।
ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩৫১ ভোট পেয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী) দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৩৭ ভোট।
বরগুনা-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ ১,৪০,২৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারি ফলে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা ১,৩৬,১৪৫ ভোট পেয়েছেন। তিনি ৪,১৪৬ ভোটে পরাজিত হয়েছেন।
বরগুনা-২ : মো. নূরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
ঝালকাঠী-১ : রফিকুল ইসলাম জামাল (বিএনপি-ধানের শীষ)
ঝালকাঠি-২ : ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো (বিএনপি-ধানের শীষ)
পিরোজপুর-১ : মাসুদ সাঈদী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
পিরোজপুর-২ : আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর (বিএনপি-ধানের শীষ)
পিরোজপুর-৩ : রুহুল আমিন দুলাল (বিএনপি-ধানের শীষ)
সিলেট বিভাগ
সিলেট-১ : খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর (বিএনপি-ধানের শীষ)
সিলেট-২ : তাহসীনা রুশদির লুনা (বিএনপি-ধানের শীষ)
সিলেট-৩ : এমএ মালিক (বিএনপি-ধানের শীষ)
সিলেট-৪ : আরিফুল হক চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
সিলেট-৫ : মুফতি আবুল হাসান (খেলাফত মজলিস-দেয়াল ঘড়ি)
সিলেট-৬ : এমরান আহমদ চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
মৌলভীবাজার-১ : মো. নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু (বিএনপি-ধানের শীষ)
মৌলভীবাজার-২ : আলহাজ্ব শওকতুল ইসলাম শকু (বিএনপি-ধানের শীষ)
মৌলভীবাজার-৩ : এম নাসের রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
মৌলভীবাজার-৪ : মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী রেজা কিবরিয়া। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ৯৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোটভুক্ত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা মো. সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ৫৬ হাজার ১৩২ ভোট।
হবিগঞ্জ-৩ : আলহাজ্ব মো. জি কে গউছ (বিএনপি-ধানের শীষ)
সুনামগঞ্জ-১ : কামরুজ্জামান কামরুল (বিএনপি-ধানের শীষ)
সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে বিএনপি প্রার্থী নাছির উদ্দিন চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৭৯০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনির দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৮৫৮ ভোট।
সুনামগঞ্জ-৩ : মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
সুনামগঞ্জ-৪ : নূরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
সুনামগঞ্জ-৫ : কলিম উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
ময়মনসিংহ বিভাগ
ময়মনসিংহ-১ : সালমান ওমর রুবেল (স্বতন্ত্র-ঘোড়া)
ময়মনসিংহ-২ : মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-রিকশা)
ময়মনসিংহ-৩ : এম ইকবাল হোসেইন (বিএনপি-ধানের শীষ)
ময়মনসিংহ-৪ : আবু ওয়াহাব আকন্দ (বিএনপি-ধানের শীষ)
ময়মনসিংহ-৫ : জাকির হোসেন বাবলু (বিএনপি-ধানের শীষ)
ময়মনসিংহ-৬ : কামরুল হাসান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
ময়মনসিংহ-৭ : ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
ময়মনসিংহ-৮ : লুৎফুল্লাহেল মাজেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
ময়মনসিংহ-৯ : ইয়াসের খান চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
ময়মনসিংহ-১০ : আকতারুজ্জামান (বিএনপি-ধানের শীষ)
ময়মনসিংহ-১১ : ফখর উদ্দিন আহম্মেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
শেরপুর-২ : নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ফলাফল স্থগিত
শেরপুর-৩ : প্রার্থী মারা যাওয়ায় নির্বাচন স্থগিত
জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ১২৮টি কেন্দ্রে এক লাখ ৭৩ হাজার ৬৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নাজমুল হক সাঈদী পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৮২০ ভোট।
জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে ৯৩টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির সুলতান মাহমুদ বাবু ৯৫ হাজার ৮৬০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। জামায়াতের ছামিউল হক ফারুকী ৬২ হাজার ৪৩৪ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হন।
জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে ১৫৫টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচিত মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল দুই লাখ ৭ হাজার ৪১২ ভোট পেয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মজিবুর রহমান আজাদী পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৩০ ভোট। এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন নয় জন।
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে ৮৯টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম ধানের শীষ প্রতীকে এক লাখ ৪৭ হাজার ৪০৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর অ্যাড. আব্দুল আওয়াল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৪৪ হাজার ৯৪৭ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হন।
জামালপুর-৫ (সদর) আসনে ১৬২টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী অ্যাড. ওয়ারেছ আলী মামুন এক লাখ ৯৯ হাজার ৩৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাও. মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার পেয়েছেন এক লাখ ১৩ হাজার ২০১ ভোট। এ আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ১০ জন।
নেত্রকোণা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) এ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলটির কেন্দ্রীয় আইনবিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৩৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শরিক দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের গোলাম রব্বানী রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৮৮ ভোট। এছাড়া জাতীয় পার্টির আনোয়ার হোসেন খান লাঙ্গল প্রতীকে ১ হাজার ২৩ ভোট, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির আলকাছ উদ্দিন মীর কাস্তে প্রতীকে ৪ হাজার ৪২৯ ভোট পেয়েছেন।
নেত্রকোণা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি চিকিৎসক আনোয়ারুল হক ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭১ হাজার ৩৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টির ফাহিম রহমান খান পাঠান শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৩৬৭ ভোট। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা আবদুল কাইয়ুম হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ১৫ হাজার ২২০ ভোট ও জাতীয় পার্টির এ বি এম রফিকুল হক তালুকদার লাঙ্গল প্রতীকে ৪ হাজার ৮৪৫ ভোট।
নেত্রকোণা-৩ (আটপাড়া-কেন্দুয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম হিলালী ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৮ হাজার ৪৬৯ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া দুলাল ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৯৬১ ভোট। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর খায়রুল কবীর নিয়োগী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৪১ হাজার ৫৫৬ ভোট, জাতীয় পার্টির আবুল হোসেন তালুকদার লাঙ্গল প্রতীকে ৫৭৪ ভোট ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জাকির হোসেন হাতপাখা প্রতীকে ২ হাজার ৭৬০ ভোট পেয়েছেন।
নেত্রকোণা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬০ হাজার ৮০১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৮৪০ ভোট, কমিউনিস্ট পার্টির জলি তালুকদার কাস্তে প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৫৯ ভোট ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির চম্পা রানী সরকার কোদাল প্রতীকে পেয়েছেন ২৮২ ভোট।
নেত্রকোণা-৫ (পূর্বধলা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাছুম মোস্তফা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৮২ হাজার ১৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আবু তাহের তালুকদার ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৪১২ ভোট। এছাড়া, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী নুরুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীকে ৩ হাজার ৩৪১ ভোট পেয়েছেন। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যা ৫ লাখ ৯৯ হাজার ৭৬৬ এবং ‘না’-তে ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৯০৩ ভোট পড়েছে।
সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ৫০টি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট দুই হাজার ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে ৮১ জন নারী। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি, যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ছয় কোটি ৪৮ লাখ এবং নারী ভোটার ছয় কোটি ২৮ লাখ।
Tag:
আরো পড়ুন: