শেরপুরের নকলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট এক কৃষককে বাঁচাতে গিয়ে অন্য দুই কৃষক মারা গেছেন। আহত হয়েছেন আরও একজন। মঙ্গলবার বিকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- উপজেলার ৫ নম্বর বানেশ্বর্দী ইউনিয়নের পুলাদেশী গ্রামের উমেদ আলীর ছেলে মিন্টু মিয়া (৪৫) এবং একই গ্রামের কুবেদ আলীর বড় ছেলে আঙুর মিয়া (৫০)।
এ ঘটনায় গুরুতর আহতাবস্থায় সামিদুল ইসলাম (৬০) নামে আরেক কৃষককে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মালিহা নুজাত বলেন, 'বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে মিন্টু ও আঙুর নামে দুই ব্যক্তিকে এখানে আনার পর তাদের মৃত ঘোষণা করা হয় এবং একই সময় সামিদুল ইসলাম নামে অপর একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় মমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।'
প্রত্যক্ষদর্শী রেজাউল করিম মিন্টু বলেন, 'মঙ্গলবার বিকেলে কৃষক সামিদুল ইসলাম তার নিজ সেচ পাম্পের বিদ্যুতের তার মেরামত করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে গেলে প্রতিবেশী দুই কৃষক মিন্টু মিয়া ও আঙ্গুর মিয়া তাকে উদ্ধার করতে এসে তারাও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।'
নকলা থানার ডিউটি অফিসার তরিকুল ইসলাম বলেন, 'বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দু'জন নিহতের ঘটনায় সুরতহাল প্রতিবেদন সংগ্রহ করা হয়েছে।'
নকলা থানার ওসি রিপন চন্দ্র গোপ বলেন, 'বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দু'জন কৃষক নিহতের ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।'