পবিত্র রমজানের প্রথম দিন ছিল বৃহস্পতিবার। কর্মস্থল থেকে বের হওয়া ঘরমুখী মানুষের একটাই ইচ্ছে প্রথম ইফতার পরিবারের সাথে করার। কিন্তু অফিস শেষে ঘরমুখী মানুষের চাপে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে দেখা দেয় তীব্র যানজট। আবার কোথাও কোথাও ধীরগতিতে চলছে যানবাহন। ফলে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। সবার একটাই চিন্তা- 'ইফতারের আগে পৌঁছাতে পারবো তো।'
সরেজমিনে দেখা গেছে, বিকেল ৩টার আগে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে সাধারণ মানুষের চলাচল সীমিত ও সড়কে অসহনীয় যানজট না থাকলেও ৩টার পর থেকে সড়কে বাড়তে থাকে অফিস ফেরত সাধারণ মানুষের চলাচল। এতে বাড়তে থাকে গণপরিবহন ও নিজস্ব পরিবহনের উপস্থিতি। দেখা দেয় যানবাহন চলাচলে ধীরগতি ও বিভিন্ন স্থানে যানজট।
এছাড়াও, রাজধানীর বিভিন্ন বাস পয়েন্টে যানবাহনের অপেক্ষারত মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। একইসঙ্গে গণপরিবহনগুলোতে ভিড় ও গেটে মানুষের ঝুলে থাকার চিত্রও দেখা গেছে।
রাজধানীর কারওয়ান বাজার থেকে পুলিশ প্লাজা যাবেন মুরাদ আহমেদ নামের এক যুবক। অন্যান্য সময় এখানে সিএনজি চালিত অটোরিকশা সব সময়ই পাওয়া যায়। কিন্তু আজ যাত্রীর চাপ ও যানজটে সিএনজি আটকে থাকায় রাস্তায় অনেককে অপেক্ষায় থাকতে দেখা যেত। অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে সিএনজি না পেয়ে বাধ্য হয়ে রিকশায় যাত্রা করেন তিনি।
রাজধানীর শ্যামলীতে বাসের অপেক্ষায় থাকা নাজমুল হাসান বলেন, 'অফিস শেষ করে বের হয়েছি প্রায় ১০ মিনিট। ভিড়ের কারণে এখনো গাড়িতে উঠতে পারিনি। গাড়িতে যেমন- ভিড়, রাস্তায় তেমনই যানজট। আজ প্রথম ইফতার পরিবারের সঙ্গে করতে চেয়েছিলাম, ইফতারের আগে বাসায় পৌঁছাতে পারবো কি না- সেটাই চিন্তার।'
যানজটে দাঁড়িয়ে থাকা সাভার পরিবহনের চালকের সহকারী বলেন, 'আজ প্রথম রোজা, সবাই বাসায় গিয়ে ইফতার করার জন্য অফিস শেষ করে বের হয়েছেন। গাড়ি একবারে যাত্রীতে ঠাসা। আবার রাস্তায়ও গাড়ির চাপ বেড়েছে। ফলে যানজটে পড়তে হয়েছে।'
পুরো রমজান মাস সরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে চলবে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত।
Tag:
আরো পড়ুন: