জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে খালেদা জিয়া (মরণোত্তর), বশির আহমেদ (মরণোত্তর), হানিফ সংকেতসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্ত হয়। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
অন্য যারা পুরস্কার পাচ্ছেন তারা হলেন- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে এ কে এস হানিফ (হানিফ সংকেত) ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু), পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবা/জনসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, সাইদুল হক, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), জনপ্রশাসনে পি এইচ ডি কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া, পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।
বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার ১৯৭৭ সাল থেকে দেওয়া হচ্ছে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে প্রতি বছর ২৬ মার্চ এ পদক দেওয়া হয়।
জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশের নাগরিক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। পাশাপাশি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকেও স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
Tag:
আরো পড়ুন: