কুমিল্লার বুড়িচংয়ে প্রাইভেটকারকে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় একই পরিবারের চার জনসহ পাঁচ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে আরও একজন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিয়ামী হোটেলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে চার জন খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমাদের বোনের পরিবারের সদস্য। তারা হলেন- মাওলানা ফয়সাল আহমেদের বোন ঝর্না বেগম (৪০), ভগ্নিপতি মুফতি আব্দুল মমিন (৫০), ভাগনি লাবিবা (১৮) এবং ভাগনে সাইফ (৭)। তারা সবাই নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার চাতারপাইয়া এলাকার বাসিন্দা।
নিহত অপরজন গাড়ির চালক জামাল হোসেন। তিনি বরিশালের বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল একটি প্রাইভেটকার। মহাসড়কের কালাকচুয়ায় এলে চট্টগ্রামগামী স্টার লাইন বাস প্রাইভেটকারটিকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই চার জনের মৃত্যু হয়। প্রাইভেটকারচালক জামাল হোসেন এবং বাসের যাত্রী আবরারকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক চালক জামালকে মৃত ঘোষণা করেন। আবরার বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।
ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মমিন বলেন, 'ঘটনার পর চালক বাসটি ফেলে পালিয়ে গেছেন। আমরা বাসটিকে আটক করেছি। নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে আইনি প্রক্রিয়া শেষে হস্তান্তর করা হবে।'
Tag:
আরো পড়ুন: