সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ১০ লেনে উন্নীত করার একটি প্রকল্পে ইতোমধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই চলমান রয়েছে।’
রোববার জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি ও তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
মন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উন্নয়ন এবং পদুয়াবাজার এলাকার যানজট নিরসনকল্পে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যে বাজেট আছে সেটা সমন্বয় করে, এখানকার যে ওভারপাস আছে সেটা সম্প্রসারণ করার জন্য ইতোমধ্যে নকশা প্রণয়ন করেছি। আমরা মনে করছি এই নকশা অনুসারে কাজটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেষ করতে সক্ষম হবো এবং তাতে ওই জায়গায় যে সমস্যাটি আছে তার একটা স্থায়ী সমাধান হয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ১০ লেনে উন্নীত করার একটি প্রকল্পে ইতোমধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই চলমান রয়েছে। আরও তিনটি আন্ডারপাস নির্মাণের পরিকল্পনা ওই সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের মধ্যে আছে। পদুয়াবাজারে যে ইউলুপের কথা বলা হচ্ছে, সেটিকে আবার ইন্টারসেকশন যেভাবে আছে তার অধীনে আরও দুটি আন্ডারপাস নির্মাণ করবো।’
শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘ফলে পাঁচটি আন্ডারপাস ওই অঞ্চলে নির্মাণের পরিকল্পনা ইতোমধ্যে সরকার গ্রহণ করেছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিশদ নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে। আমরা এরপর ডিপিপি উপস্থাপন করে যে সমস্যাটা আছে তা সমাধান করতে ইতোমধ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।’
সরকার সমন্বয় করে কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পূর্ববর্তী সরকারের আমলে যে প্রকল্পটি হয়েছিল, সেই প্রকল্প যতটুকু সংশোধন করা দরকার ততটুকু আমরা করতে পারছি, এর বেশি ওই প্রকল্পে করা সম্ভব হচ্ছে না। সরকার নতুন এসেছে। সংসদ সদস্য আমাকে এই বিষয়ে জ্ঞাত করেছেন। আমি সচিব এবং আমাদের সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক ভাবে পাঠিয়েছি। তারা সেখানে সরেজমিনে দেখে আসছেন। বেশ কিছু পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিশ্চয়ই সংসদ সদস্য দৃশ্যমান কিছু দেখতে পাবেন।’
Tag:
আরো পড়ুন: