মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার চালু করতে সরকার তৎপর: মাহদী আমিন

মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার চালু করতে সরকার তৎপর: মাহদী আমিন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১২

আপডেট: ১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০০

প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, 'মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার দ্রুত পুনরায় চালু করতে সরকার জোর তৎপরতা চালাচ্ছে।'

রোববার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, 'আমরা চাই স্বল্প খরচে, স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় যেন আমাদের মানুষ যেতে পারেন। মালয়েশিয়াকে আহ্বান জানিয়েছি এই প্রক্রিয়াটাকে সিন্ডিকেটমুক্ত করার জন্য যা কিছু করা প্রয়োজন সেটি যেন করে।

তিনি বলেন, 'এ বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যেমন আন্তরিক, তেমনই মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীও ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন।'

শ্রমিক পাঠানো কবে শুরু হবে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'বিষয়টি এখনো প্রক্রিয়াধীন। আমরা যত দ্রুত সম্ভব এটি উন্মোচনের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।'

মামলা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, 'যৌথ বিবৃতিতে এ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশে এখন যে গণতান্ত্রিক সরকার রয়েছে, আমরা আইনের শাসনে বিশ্বাস করি। বিচার বিভাগ তার নিজস্ব গতিতে চলবে। যারা অপরাধী, যারা দুর্নীতি বা অপকর্মে যুক্ত, তারা আইনি প্রক্রিয়ায় শাস্তি পাবে। একই ভাবে যারা নির্দোষ, তারাও সুবিচার পাবে- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।'

‘ক্রেডিবল রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি’ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'এটি কোনো নতুন সিন্ডিকেট তৈরির উদ্যোগ নয়। এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, মালয়েশিয়ার সব সেন্ডিং কান্ট্রির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তাদের নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড রয়েছে, সেই অনুযায়ী তারা এজেন্সি নির্বাচন করে।'

বাংলাদেশের অবস্থান ব্যাখ্যা করে মাহদী আমিন বলেন, 'আমরা ক্রেডিবল বা কোয়ালিফাইড বলতে তাদেরই বোঝাবো, যারা দুর্নীতিমুক্ত থেকে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় রিক্রুটমেন্ট পরিচালনা করবে। এর মাধ্যমে আমরা ধীরে ধীরে অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে আনতে চাই।'

তিনি বলেন, 'বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনগণের আকাঙ্ক্ষা বেশি সংখ্যক মানুষ বিদেশে যেতে পারবে, অভিবাসন ব্যয় কমবে এবং সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হবে। সেই লক্ষ্যেই আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছি।'