সুনামগঞ্জের ছাতকে সিএনজি চালিত অটোরিকশাকে যাত্রীবাহী বাসের চাপা দেয়ার ঘটনায় একই পরিবারের তিন জনসহ পাঁচ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার দুপুরে উপজেলার জালালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- তাহিরপুর উপজেলার তিওর জালাল গ্রামের ইউসুফ আলী, তার দুই মেয়ে নিলুফা আক্তার (৩০) ও কেয়া মনি (১৭) এবং ভাতিজি জামাই একই উপজেলার বিন্নাকুলি গ্রামের মো. শাহাব উদ্দিন। নিহত সিএনজিচালকের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
তিওর জালাল গ্রামের বাসিন্দা ও বালীজুরি ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আলী নেওয়াজ এসব তথ্য জানান।
প্রত্যক্ষদর্শী ও হাইওয়ে পুলিশ জানায়, সিলেট থেকে যাত্রী নিয়ে সুনামগঞ্জের দিকে আসছিল রিফাত পরিবহনের একটি বাস। এ সময় সুনামগঞ্জ থেকে সিলেটগামী একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশাতে ইউসুফ আলী, তার দুই মেয়ে ও ভাতিজি জামাই যাত্রা করছিলেন। পথে জালালপুর এলাকায় পৌঁছালে বাসটি হঠাৎ লেন পরিবর্তন করে অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে দূরে ছিটকে পড়ে। বাসটিও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে উল্টে যায়। দুর্ঘটনার পর পরই বাসের চালক পালিয়ে যায়।
ঘটনাস্থলেই অটোরিকশাচালক ও ইউসুফ আলীর মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় নিলুফা আক্তার, কেয়া আক্তার ও মো. শাহাব উদ্দিনকে সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সুজন সরকার বলেন, 'দুর্ঘটনায় সিএনজিচালকসহ পাঁচ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দু'জনের মরদেহ সুনামগঞ্জে রয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Tag:
আরো পড়ুন: