ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে

ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে
ছবি: ভারতীয় হাইকমিশন।

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮ মে, ২০২৬ ২০:২৭

আপডেট: ৮ মে, ২০২৬ ২০:২৮

চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ ‘আইওএস সাগর’। শুক্রবার ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বহুজাতিক আইওএস সাগর ২০২৬ মোতায়েনের অংশ হিসেবে জাহাজটি সফল ভাবে বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রবেশ করেছে।

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফ্রিগেট বিএনএস আলী হায়দার (এফ১৭) বাংলাদেশের জলসীমায় আনুষ্ঠানিক ভাবে সেটিকে অভ্যর্থনা জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সফর বাংলাদেশ ও ভারতের নৌবাহিনীর মধ্যকার দীর্ঘদিনের কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং দুই প্রতিবেশী দেশের ক্রমবর্ধমান নৌ সহযোগিতার প্রতিফলন।

সফরকালে ‘আইওএস সাগর’-এর কমান্ডিং অফিসার বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এর মধ্যে থাকবেন চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের কমান্ডার, বাংলাদেশ নৌ বহরের কমান্ডার এবং ডকইয়ার্ডের এরিয়া সুপারিনটেনডেন্ট। এসব বৈঠকের লক্ষ্য পেশাগত মতবিনিময় ও কার্যকরী সহযোগিতা আরও জোরদার করা।

এছাড়া, চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের কমান্ডার পরিদর্শনকারী জাহাজটির সম্মানে অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন। পরে ‘আইওএস সাগর’ ডেক রিসেপশনের আয়োজন করবে। এসব অনুষ্ঠানে দু’দেশের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেবেন।

সফররত জাহাজের কমান্ডিং অফিসার দু’দেশের যৌথ আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে চট্টগ্রাম কমনওয়েলথ ওয়ার সেমেট্রিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

এছাড়াও, তিনি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। সেখানে সামুদ্রিক লজিস্টিকস, বন্দর ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হবে।

সফর সূচিতে দুই দেশের নৌ সদস্যদের মধ্যে ক্রস-ডেক ভিজিট অর্থাৎ পারস্পরিক জাহাজ পরিদর্শন, পেশাগত মতবিনিময় এবং সক্ষমতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্যে নৌ সদস্যদের ঈসা খান ট্রেনিং কমপ্লেক্স এবং বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি পরিদর্শনের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

সফরের অংশ হিসেবে দুই দেশের নৌ বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচও হওয়ার কথা রয়েছে। এর মাধ্যমে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও জনগণের মধ্যে সম্প্রীতি আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আইওএস সাগরের এ সফর ভারতের ‘নেইবারহুড ফার্স্ট’ বা ‘প্রতিবেশী অগ্রাধিকার’ নীতি এবং ‘মহাসাগর’ উদ্যোগের প্রতিফলন। একইসঙ্গে এটি ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি, নিরাপত্তা ও টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতে দুই দেশের অভিন্ন অঙ্গীকারকে তুলে ধরেছে।