মিনায় অবস্থানের মধ্য দিয়ে সোমবার সকাল থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হতে যাচ্ছে পবিত্র হজের মূল কার্যক্রম। এ কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে যাওয়া হাজিরা রোববার রাতেই মিনার পথে রওনা হচ্ছেন।
রোববার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সৌদি সরকারের নির্দেশনা মেনে হাজিদের মিনায় গমন সহজ ও নিরাপদ করতে রাতেই তাদের পাঠানো শুরু হবে।
মক্কাস্থ বাংলাদেশ হজ অফিস ও সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সিগুলো ইতোমধ্যে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের মিনায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
শরিয়তের বিধান অনুসারে হাজিরা ৮ জিলহজ মিনায় অবস্থান করে ফজর থেকে এশা পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন। মিনায় রাত্রিযাপন শেষে ৯ জিলহজ (মঙ্গলবার) আরাফাতের উদ্দেশে রওনা হবেন তারা।
সেখানে চলতি বছর হজের খুতবা দেবেন মসজিদে নববীর প্রধান ইমাম ও খতিব শায়েখ আলি বিন আবদুর রহমান আল-হুযাইফি। খুতবার পর হাজিরা একসঙ্গে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন। সূর্যাস্ত পর্যন্ত এখানেই অবস্থান করবেন হাজিরা। শরিয়তের বিধানানুসারে আরাফাতে অবস্থান করাই হজ।
৯ জিলহজ সূর্যাস্তের পর মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা দেবেন হাজিরা। সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ শেষে উন্মুক্ত আকাশের নিচে রাত্রিযাপন করবেন। পর দিন ১০ জিলহজ সূর্যোদয়ের আগে মুজদালিফা থেকে মিনায় যাবেন হাজিরা এবং শুধু বড় জামারায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবেন। এরপর মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় পশু কুরবানি দেবেন এবং মাথা মুণ্ডন কিংবা চুল ছোট করবেন।
১১ ও ১২ জিলহজ হজের বাকি আনুষ্ঠানিকতা শেষে ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের আগে মিনা ত্যাগ করবেন হাজিরা।
চলতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১৬ থেকে ১৮ লাখ মুসলমান হজ পালন করবেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। চলতি বছরে বাংলাদেশ থেকে সাড়ে ৭৮ হাজার মানুষ হজ পালন করছেন।
আরো পড়ুন: