মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সন্তোষ রামিসার বাবা, দ্রুত কার্যকরের দাবি

মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সন্তোষ রামিসার বাবা, দ্রুত কার্যকরের দাবি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭ জুন, ২০২৬ ১২:৪৯

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও গলাকেটে হত্যার ঘটনায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।

রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর রামিসার বাবা দ্রুত সাজা কার্যকরের দাবি জানান।

এর আগে আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রধান আসামি সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও প্রমাণিত হয়েছে। স্বামীকে পালাতে সহযোগিতা করায় স্বপ্না আক্তারের দায়ও প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত উল্লেখ করেন।

রায় ঘোষণার আগে সকালে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। নিরাপত্তার কারণে আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ ও গোয়েন্দা সদস্য মোতায়েন করা হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকালে পল্লবীর পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় নিয়ে যান স্বপ্না আক্তার। পরে সেখানে তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

রামিসাকে খুঁজতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা আসামিদের ঘরের সামনে তার জুতা দেখতে পান। পরে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার পর পুলিশ স্বপ্না আক্তারকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

মাত্র চার কার্যদিবসে মামলার বিচার শেষ করে আদালত দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।