জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম বিশ্বশান্তি, স্থিতিশীলতা ও মানবিক নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেছেন তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় শান্তিরক্ষীরা সাহস, ধৈর্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।
বুধবার (১০ জুন) জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগ শান্তিকামী মানুষের জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় তাদের অবদান জাতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে।
তিনি আরও বলেন, পেশাদারিত্ব, ঐক্য, শৃঙ্খলা এবং চেইন অব কমান্ড ছাড়া কোনো বাহিনীর পক্ষে সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে টিকে থাকা সম্ভব নয়। অতীতের ভুল-ত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর ও জনমুখী করে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, “ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে” এখন প্রতিটি রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সামনে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জনগণের আস্থা অর্জন এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নেওয়া বাংলাদেশি সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও অবদানের প্রশংসা করে বলেন, তাদের সাফল্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে এবং দেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছে।
আরো পড়ুন: