জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারকাতের জামিন

জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারকাতের জামিন
ফাইল ছবি।

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ জুন, ২০২৬ ২০:২১

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর নীলক্ষেত এলাকায় ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল বারকাতের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। 

মঙ্গলবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন এ তথ্য জানান।

এর আগে গত রোববার পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলাম তাকে এই মামলায় মামলায় গ্রেপ্তার দেখান। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মঙ্গলবার এই মামলার জামিন শুনানি ছিল। এদিন আবুল বারকাতের জামিন চেয়ে আবেদন করেন আইনজীবী শাহিনুর ইসলাম। তিনি যেকোনো শর্তে আসামির জামিনের প্রার্থনা করেন। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন।

এদিকে, অন্য কোনো মামলায় গ্রেপ্তার না থাকায় তার কারামুক্তিতে কোনো বাধা নেই বলে জানা গেছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ জুলাই রাতে ধানমণ্ডির ৩ নম্বর সড়কের বাসা থেকে অধ্যাপক আবুল বারকাতকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরে জালিয়াতির মাধ্যমে জনতা ব্যাংক থেকে অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে ২৯৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়।

পরে গত ০৭ জুন দুদকের মামলায় আপিল বিভাগ থেকে জামিন পান আবুল বারকাত। জামিন পেলেও কারাগার থেকে মুক্তি পাননি তিনি। ওইদিন আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের পরিদর্শক আমজাদ হোসেন তালুকদার। 

ড. আবুল বারকাত ঘটনার দিন সময় অনুমান ১১-১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও আওয়ামী লীগ সমর্থক নেতৃবৃন্দকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জন্য আর্থিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করে বলে আটক রাখার আবেদনে উল্লেখ করা হয়। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে নিউ মার্কেট থানাধীন নীলক্ষেত এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গুলিতে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ নিহত হন। ঘটনার পর নিহতের শ্যালক আব্দুর রব বাদী হয়ে ওই বছরের ২১ অগাস্ট নিউ মার্কেট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরসহ মোট ১৩০ জনকে আসামি করা হয়।