প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, 'কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ও গম সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং দেশব্যাপী ‘কৃষক বাজার’ স্থাপন করা হচ্ছে।'
বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সিরাজগঞ্জ-১ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মো. সেলিম রেজার তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, 'কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ও গম সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং দেশব্যাপী ‘কৃষক বাজার’ স্থাপন করা হচ্ছে। এই কর্মসূচির আওতায় কৃষির উন্নয়ন ও কৃষকদের ইউনিক পরিচয় নিশ্চিতকরণে ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, স্বল্পমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রদানের লক্ষ্যে গত ১৪ এপ্রিল কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। একইসাথে প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি কৃষি ব্লকে এ কার্যক্রম সম্পাদন করা হচ্ছে। আজ পর্যন্ত ২০ হাজার ৮৩২টি কৃষক কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।'
তিনি বলেন, 'কৃষিখাতে সেন্সর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) এবং ড্রোনের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে কৃষি মন্ত্রণালয়ের জন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। উচ্চ ফলনশীল ও প্রতিকূলতা সহিষ্ণু জাত উদ্ভাবনের পাশাপাশি স্মার্ট কৃষি ও প্রিসিশন এগ্রিকালচার-এর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।'
প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারের নির্বাচনী স্লোগান ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ কর্মসূচির আওতাধীন পদক্ষেপগুলোও তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, 'সরকার ইতোমধ্যে শস্য, ফসল, পশুপালন ও মৎস্যখাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সম্পূর্ণ মওকুফ করেছে। এ লক্ষ্যে সরকার চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১ হাজার ৫৬৭ কোটি ৯৬ লাখ টাকা বাজেট বরাদ্দ করেছে। ফলে সারাদেশের প্রায় ১৩ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ জন কৃষক উপকৃত হবে।'
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি এবং এমওপি সার অত্যন্ত সুলভ মূল্যে সরাসরি কৃষকের দোরগোঁড়ায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, বিএডিসি’র মাধ্যমে উচ্চ ফলনশীল ও জলবায়ু সহনশীল বীজের সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।'
Tag:
আরো পড়ুন: