শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, 'এবারের পাঠ্যপুস্তকে অনেকাংশে পরিমার্জন আনা হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে পুরো কারিকুলাম পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। এটি বললেই পরিবর্তন হয়ে যায় না, এর জন্য সময় লাগে। সরকার সেভাবেই এগোচ্ছে, যাতে যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন করা যায়।'
শনিবার সকালে সাভারে গণবিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'একসময় সরকারি আমলারা খিচুড়ি রান্না করতে, কচুরিপানা পরিষ্কার করতে বিদেশে যেতেন। সেই দিন শেষ হয়ে গেছে। এখন সরকার শিক্ষা ব্যবস্থায় স্পোর্টস কালচার, ফ্যামিলি ভ্যালুস, ডিবেট, লার্নিং উইথ হ্যাপিনেসের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।'
তিনি বলেন, 'স্পোর্টস কালচার, ফ্যামিলি ভ্যালুস, ডিবেট, লার্নিং উইথ হ্যাপিনেসের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এটিই সরকারের মূল উপাদান, যা প্রধানমন্ত্রী সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন। তিনি এমন একটি নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে চান, যারা শিক্ষাকে আনন্দময় হিসেবে গ্রহণ করবে।'
এহসানুল হক মিলন বলেন, 'নতুন কারিকুলামে চতুর্থ শ্রেণি থেকেই লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস, স্পোর্টস ও কালচার অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি পারিবারিক মূল্যবোধ, ধর্মীয় মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও আদর্শ ধাপে ধাপে সব শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। প্রকৃত ও নির্মোহ ইতিহাসও কালানুক্রমিক ভাবে পাঠ্যপুস্তকে দেওয়া হচ্ছে।'
তিনি বলেন, 'শিক্ষকদের মানোন্নয়নকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলো বাড়ানো হচ্ছে এবং বিভিন্ন জায়গায় নতুন মডেলে এগুলো পরিচালনা করা হচ্ছে।'
এর আগে গণবিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়।
অনুষ্ঠানে ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু, গণবিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হোসেনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
আরো পড়ুন: