রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ আবার গ্রেফতার

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ আবার গ্রেফতার
ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৫৯

আপডেট: ২০ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৯

রাজধানীর পল্লবী থানার একটি মামলায় ওয়ারেন্ট থাকায় আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে ফের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২০ জুলাই) রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে সংশ্লিষ্ট মামলার কারণে পল্লবী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ ওসমান গণি জানান, পল্লবী থানার একটি মামলায় মোহাম্মদ সাহেদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ক্যান্টনমেন্ট থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সুব্রত দেবনাথ জানান, সোমবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে মিরপুর ইসিবি চত্বর এলাকায় মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের কর্মকর্তারা প্রথমে সাহেদকে আটক করেন। পরে বিষয়টি ট্রাফিক পুলিশের নজরে এলে তাকে ট্রাফিক পুলিশ বক্সে নেওয়া হয়।

পরে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়। ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, চেক জালিয়াতির অভিযোগে পল্লবী থানার মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে সাজা ও ওয়ারেন্ট রয়েছে।

পল্লবী থানা পুলিশও ওয়ারেন্টের বিষয়টি নিশ্চিত করার পর দুপুরের দিকে পুলিশের একটি দল ক্যান্টনমেন্ট থানায় গিয়ে সাহেদকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষায় জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২০২০ সালে আলোচনায় আসেন রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ।

২০২০ সালের ৬ জুলাই র‌্যাব রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় অভিযান চালায়। অভিযানে পরীক্ষা ছাড়াই করোনার সনদ দেওয়া এবং প্রতারণার অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানানো হয়।

এরপর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে রিজেন্ট হাসপাতাল ও এর মূল কার্যালয় সিলগালা করা হয়। একই দিন সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করা হয়।

পরে ২০২০ সালের ১৫ জুলাই ভোরে ভারতে পালানোর সময় সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে র‌্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর বিভিন্ন মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন তিনি।

২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান সাহেদ। তার বিরুদ্ধে মোট ৯৬টি মামলা ছিল বলে জানা যায়। এর মধ্যে কয়েকটি মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত আসামি।