এনটিএমসির সাবেক মহাপরিচালক ও মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ির আটতলা বাড়িতে সম্পদের তালিকা তৈরির (ইনভেন্টরি) কাজ শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সোমবার (২০ জুলাই) বাড়িটিতে এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে সংস্থাটির একটি দল।
সোমবার (২০ জুলাই) দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল জলসিঁড়ি আবাসিক এলাকার ওই বাড়িতে কার্যক্রম শুরু করে।
দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করেই ইনভেন্টরি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযান শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
এর আগে আদালতের নির্দেশে জিয়াউল আহসান ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা ক্রোককৃত স্থাবর সম্পত্তির সঠিক ব্যবস্থাপনা, তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও গণপূর্ত বিভাগকে রিসিভার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৩ জানুয়ারি জিয়াউল আহসান ও তার স্ত্রী নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা করা হয়।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, জিয়াউল আহসানের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে বিপুল পরিমাণ অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। দুদকের অনুসন্ধানে তার নামে একাধিক বাড়ি, ফ্ল্যাট, জমি, গাড়ি, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ ও অন্যান্য সম্পদের তথ্য পাওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
দুদক আরও জানায়, জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে।
২০২৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধানে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দুদক। এর আগে তার ও পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাবের লেনদেন স্থগিতের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
আরো পড়ুন: