একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন

একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৫৮

আপডেট: ২২ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪৯

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রায় ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে আটটি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে তিনটি নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত প্রকল্প। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে অবকাঠামো, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা ও স্থানীয় সরকার খাতের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও জোরদার হবে।

বুধবার (২২ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের সভাপতি তারেক রহমান।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় জানায়, অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ৪৯৪ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ থেকে ৩ হাজার ৫৫০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা আসবে।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের তিনটি প্রকল্প রয়েছে। এগুলো হলো— সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন-২ (প্রথম সংশোধন), বৃহত্তর দিনাজপুর (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়) জেলা সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প এবং পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্প।

এ ছাড়া অনুমোদন পেয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্প (তৃতীয় সংশোধন), সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্প (দ্বিতীয় সংশোধন) এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিলেট বিভাগের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্প (তৃতীয় সংশোধন)।

জ্বালানি খাতে বেগমগঞ্জ-৫ মূল্যায়ন কূপ এবং বেগমগঞ্জ-৬ ও সুনেত্র-২ অনুসন্ধান কূপ খননের প্রকল্পও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের আওতায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোর বিদ্যমান কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি দেশের জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে ১০ শয্যার নতুন কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন করা হবে।

সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের ১১টি পূর্বে অনুমোদিত প্রকল্প সম্পর্কেও একনেককে অবহিত করেন। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক অফিস স্থাপন, বরিশাল টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে মোবাইল নেটওয়ার্ক স্থাপন, বিভিন্ন মহাসড়ক উন্নয়ন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ সঞ্চালন অবকাঠামো উন্নয়ন, পূর্বাঞ্চলীয় গ্রিড সম্প্রসারণ এবং বিটাকের নতুন কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ।