কক্সবাজারকে বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র করতে পরিবেশ বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনা করছে সরকার

কক্সবাজারকে বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র করতে পরিবেশ বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনা করছে সরকার

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩ জুলাই, ২০২৬ ২০:২৬

কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের একটি আধুনিক পর্যটন শহর হিসেবে গড়ে তুলতে বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে সমুদ্র উপকূলে ভবন নির্মাণের দীর্ঘদিনের পুরোনো নিয়মগুলো একটু সহজ করার কথা ভাবা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, পরিবেশ বাঁচানোর পাশাপাশি পর্যটন ব্যবসার উন্নয়নের জন্য সরকার সৈকত থেকে ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের পুরোনো পরিবেশ বিধিমালা পর্যালোচনা করে দেখছে।

সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের টানতে হলে ভালো মানের হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও বিনোদন কেন্দ্র তৈরি করতেই হবে। তাই পরিবেশ রক্ষা করার পাশাপাশি নতুন নতুন কাজের সুযোগ তৈরি করা জরুরি।

তিনি জানান, সরকার একটি পুরো মাস্টারপ্ল্যান বা মূল পরিকল্পনা তৈরি করছে। এর সাথে কক্সবাজারের বড় বড় কাজগুলো যুক্ত করা হবে—যেমন কক্সবাজার বিমানবন্দর বড় করা, নতুন রেললাইন চালু করা এবং চট্টগ্রামের সাথে সড়ক যোগাযোগ আরও উন্নত করা। এসব ব্যবস্থা একসাথে চালু হলে কক্সবাজার একটি আধুনিক ও ডিজিটাল পর্যটন শহরে পরিণত হবে।

সরকার আশা করছে, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ১ ট্রিলিয়ন (এক লাখ কোটি) ডলারে নিয়ে যেতে কক্সবাজার বড় ভূমিকা রাখবে। পর্যটন ও ব্যবসা বাড়লে এই এলাকার উন্নয়ন হওয়ার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিও অনেক শক্তিশালী হবে।

এর আগে অর্থমন্ত্রী অর্থ বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে এক বৈঠকে বলেন, শুধু একটি সুন্দর বাজেট তৈরি করলেই কাজ শেষ হয় না, আসল সাফল্য নির্ভর করে তা কত ভালোভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে তার ওপর।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, পুরোনো ধাঁচে কাজ না করে নতুন নতুন বুদ্ধি নিয়ে কাজ করতে হবে। সরকারি অফিসে সাধারণ মানুষ যেন দ্রুত সেবা পান, সেই ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান তিনি। অর্থ বিভাগকে দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি উল্লেখ করে তিনি সবাইকে মন দিয়ে দেশের জন্য কাজ করার পরামর্শ দেন।