শাহজালালে অতিরিক্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট অনুমোদন স্থগিত করল বেবিচক

শাহজালালে অতিরিক্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট অনুমোদন স্থগিত করল বেবিচক
ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:১৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠানামা ও যাত্রীচাপ বেড়ে যাওয়ায় নির্ধারিত সূচির বাইরে বিদেশি এয়ারলাইন্সের অতিরিক্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

সম্প্রতি দেশের ৩৮টি এয়ারলাইন্সকে পাঠানো এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু না হওয়া পর্যন্ত অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদনের ওপর এই স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকবে।

বর্তমানে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রতিদিন গড়ে ১৪০ থেকে ১৬০টি আন্তর্জাতিক এবং ১২৫ থেকে ১৪০টি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। এর পাশাপাশি প্রতিদিন ১০ থেকে ১৬টি আন্তর্জাতিক কার্গো ফ্লাইটও চলাচল করছে।

ব্যক্তিমালিকানাধীন হেলিকপ্টারসহ প্রতিদিন প্রায় ৩১৬টি উড়োজাহাজ ওঠানামা করছে। ফলে বিমানবন্দরের রানওয়ে, ট্যাক্সিওয়ে, টার্মিনাল, অ্যারোব্রিজ, চেক-ইন কাউন্টার, ইমিগ্রেশন ও ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে।

বেবিচকের চিঠিতে জানানো হয়েছে, যেসব এয়ারলাইন্সের বাংলাদেশে কোনো পরিচালন বেজ নেই, তারা টার্মিনাল-৩ চালু না হওয়া পর্যন্ত অনুমোদিত সময়সূচি ও নির্ধারিত ফ্রিকোয়েন্সির বাইরে অতিরিক্ত যাত্রীবাহী ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পাবে না।

এমনকি কোনো এয়ারলাইন্স আগে স্লট বরাদ্দ পেলেও সেটিকে পরিচালনগত অনুমোদন হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।

ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরের ওপর চাপ কমাতে অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনার জন্য চট্টগ্রামের হযরত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে বেবিচক।

বেবিচক সদস্য (পরিচালনা ও পরিকল্পনা) এয়ার কমডোর আবু সাঈদ মেহবুব খান বলেন, শাহজালাল বিমানবন্দর বর্তমানে সক্ষমতার তুলনায় বেশি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। তবে কোনো এয়ারলাইন্স চাইলে চট্টগ্রাম বা সিলেট বিমানবন্দর ব্যবহারের অনুমোদন নিতে পারবে।

তিনি জানান, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে অতিরিক্ত ফ্লাইট অনুমোদনের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হবে।