জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত গণহত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। চানখারপুলে ছয় জনকে হত্যার দায়ে তাকে এ মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের বাকি সদস্যরা হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এই রায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ।
‘আজ যে রায় ঘোষণা করেছে এ রায় বাংলার জনগণ প্রত্যাখ্যান করে। বাংলার জনগণ এ রায় মানে না, মানবে না,’
আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পাতায় ভিডিও বার্তায় বলেছেন দলটির সভাপতিমণ্ডলির সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক।
তিনি বলেন, ‘অবৈধ আদালত যে মামলার রায় দিয়েছে সেটি ১৪ অগাস্ট শুরু করে ১৭ নভেম্বর মামলা শেষ করেছে। ৮৪ জন সাক্ষীকে সামনে রেখে ৫৪ জনকে হাজির করে ২০ দিনে মামলা শেষ করেছে। এই দুই মাসের মধ্যে মাত্র ২০ দিন আদালত চলেছে।’
‘এর প্রধান বিচারক গত এক মাস অনুপস্থিত ছিলেন। তারপরও প্রতিশোধের লক্ষ্য নিয়ে মানুষের প্রিয় নেত্রীর বিরুদ্ধে যে রায় দিয়েছে,’ বলছিলেন নানক।
তিনি বলেন, ‘অচিরেই সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করবো।’
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার পরও রায়ের প্রতিবাদে সারা বাংলাদেশে সকাল-সন্ধ্যা শাটডাউন পালনের ঘোষণাও দেন তিনি।
আরো পড়ুন: