বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, অপসারিত প্রধানমন্ত্রী ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনা বাংলাদেশের স্বার্থের পরিবর্তে একটি প্রতিবেশী দেশের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করেছেন।
শনিবার চকোরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ইসলামনগরে শহীদ হোসেন চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নারীনির্ভর সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সালাহউদ্দিন বলেন, “ক্ষমতায় থাকার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল দেশের সম্পদ লুণ্ঠন এবং দেশকে বাইরের প্রভাবের অধীনে নিয়ে যাওয়া।”
তিনি অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশের অস্তিত্ব বা জনগণের প্রতি কখনোই সত্যিকার দায়িত্ববোধ দেখাননি।
“১৬–১৭ বছর জনগণ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত”
বিএনপি নেতা বলেন, টানা ১৬–১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের ‘ফ্যাসিবাদী শাসনে’ জনগণ ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
“সংবিধান ও গণতন্ত্রের কাঠামো সামান্য থাকলেও বাস্তবে শেখ হাসিনা দেশে একদলীয় শাসন কায়েম করেছিলেন।”
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা কখনোই বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করতেন না।
“তাই অবাক লাগে, এত কিছু হওয়ার পরও যারা এখনও আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেন—কেন করেন? তাদের নেত্রী তো অন্য নেতাদের নিয়ে ভারত পালিয়ে গেছেন,” মন্তব্য করেন তিনি।
নির্বাচন প্রসঙ্গে আশা ব্যক্ত
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সালাহউদ্দিন আশা প্রকাশ করেন যে ফেব্রুয়ারির নির্বাচন আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা পাবে। “মানুষ নিজের ভোট নিজেই রক্ষা করবে; কাউকে আর প্রয়োজন হবে না। এই নির্বাচন পরিবর্তনের সূচনা করবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে নারীদের দেশ গঠনে বড় ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হবে।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন—সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট হাছিনা আহমেদ, কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না, চকোরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক এম মবারক আলী এবং অন্যান্য স্থানীয় নেতারা।
এর আগে, সালাহউদ্দিন আহমেদ ফাঁসিয়াখালী, কাকারা, লক্ষ্য্যার চর ও বরাইতলি ইউনিয়নে গণসংযোগ এবং বিভিন্ন পথসভায় বক্তব্য দেন।
আরো পড়ুন: