যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা

যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:৪০

চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদলের এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের অলিমিয়াহাট এলাকার সিকদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মুহাম্মদ জানে আলম সিকদার (৪৬) উপজেলা যুবদলের সদস্য এবং পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। তিনি ওই ইউনিয়নের সিকদার বাড়ির হাজী হামদু মিয়ার ছেলে। তিনি ২ ছেলে ১ কন্যা সন্তানের জনক।

জানে আলম জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মুখোশ পরা তিন যুবক মোটরসাইকেলে এসে জানে আলমের বাড়ির সামনে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। এরপর তারা দ্রুত মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাত আনুমানিক ৯টার দিকে জানে আলম পাশের অলিমিয়াহাট বাজার থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন। বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে পৌঁছালে মোটরসাইকেল আরোহীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি করেন। গুলির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে দুর্বৃত্তদের পালিয়ে যেতে দেখেন। পরে বুকে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকা জানে আলমকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়, কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফিরোজ আহমদ বলেন, 'জানে আলম আমার এলাকার বাসিন্দা। মোটরসাইকেল আরোহীরা এসে জানে আলমকে এলোপাতাড়ি গুলি করে পালিয়ে যান। তার বুকে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলি লাগে। কী কারণে তাকে গুলি করা হয়েছে, কি কারণে তাকে হত্যা করেছে এ বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই।'

পূর্ব গুজরা তদন্ত কেন্দ্রর ইনচার্জ বিকাশ চন্দ্র বলেন, 'আমরা হত্যার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। নিহত জানে আলমের বাড়ির সামনে মোটরসাইকেলে আসা তিন জন মুখোশধারী তাকে গুলি করে হত্যা করে পালিয়ে যান। বিস্তারিত তদন্ত করে জানানো হবে।'

রাউজান-রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেন বলেন, 'শুনেছি তিনি মারা গেছেন। তবে এখনও নিশ্চিত হতে পারিনি।'