বিজয় হলে সুশাসনভিত্তিক সমাজ গড়া হবে: গোলাম পরওয়ার

বিজয় হলে সুশাসনভিত্তিক সমাজ গড়া হবে: গোলাম পরওয়ার
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার শনিবার চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় জোটপ্রার্থী মাওলানা বিলাল হোসেন মিয়াজীর নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেন। ছবি : বাসস

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ২২:০২

১১-দলীয় জোট সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী হলে দেশে সুশাসনভিত্তিক একটি সমাজ প্রতিষ্ঠা করা হবে—যেখানে ধর্ম, বর্ণ বা বিশ্বাস নির্বিশেষে সব নাগরিক সমান অধিকার ও ন্যায়বিচার ভোগ করবেন—এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

শনিবার চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে ১১-দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী মাওলানা বিলাল হোসেন মিয়াজীর পক্ষে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গোলাম পরওয়ার বলেন, প্রস্তাবিত শাসনব্যবস্থায় হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধসহ সব ধর্মের মানুষ ইনসাফপূর্ণ অধিকার নিয়ে শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারবেন।

তিনি ভোটারদের প্রতি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পাশাপাশি জুলাই জাতীয় সনদ বিষয়ক গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তার বক্তব্যে বলা হয়, নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব পেলে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে একটি ‘মানবিক বাংলাদেশ’ গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি দাবি করেন, দলটির বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা দলীয়করণের অভিযোগ নেই।

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর চাঁদপুর জেলা আমির ও জোটপ্রার্থী মাওলানা বিলাল হোসেন মিয়াজী। তিনি বলেন, স্থানীয় উন্নয়ন ও ন্যায়ভিত্তিক শাসন প্রতিষ্ঠায় জোটের কর্মসূচি বাস্তবায়নে ভোটারদের সমর্থন প্রয়োজন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও নোয়াখালী-কুমিল্লা অঞ্চল টিমের সদস্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি ও জিএস মো. মাজহারুল ইসলাম, চাঁদপুর জেলা সেক্রেটারি আমিনুল ইসলাম, সহ-সেক্রেটারি অধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ, ফরিদগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ইউনুস হেলাল এবং সেক্রেটারি মো. শাখাওয়াত হোসেন।

এই জনসভা চাঁদপুর অঞ্চলে ১১-দলীয় জোটের নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সুশাসন, ধর্মীয় সহাবস্থান ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থার বার্তা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।