ভাষানটেকে অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারানোদের পাশে ডা. জুবাইদা রহমান

ভাষানটেকে অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারানোদের পাশে ডা. জুবাইদা রহমান
শনিবার ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নিতে ভাষানটেক এলাকায় উপস্থিত হন ডা. জুবাইদা রহমান। ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:১৯

রাজধানীর ভাষানটেক এলাকায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। শনিবার দুপুরে তিনি সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারানো পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং তাদের মাঝে অতিপ্রয়োজনীয় উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন। এই মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে হঠাৎ ঘটে যাওয়া দুর্যোগে দিশেহারা পরিবারগুলোর তাৎক্ষণিক দৈনন্দিন চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করা হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের ফলে ভাষানটেক বস্তির অসংখ্য মানুষ তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই, আসবাবপত্র ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল সামগ্রী হারিয়ে চরম সংকটের সম্মুখীন হয়েছেন, যার ফলে ওই এলাকায় এক তীব্র মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্তদের মানবিক সংকট লাঘবে ডা. জুবাইদা রহমানের এই সফর কেবল ত্রাণ বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং ক্ষতিগ্রস্তদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই উপলক্ষে ভাষানটেকে একটি বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়, যেখানে অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে ক্ষতিগ্রস্ত নারী, শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। দুর্যোগকালীন স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে সেখানে প্রয়োজনীয় ঔষধপত্রও বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়। জরুরি এই চিকিৎসা সেবা ও সহায়তা কার্যক্রম এলাকাবাসীর মধ্যে হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে এবং একটি স্বস্তিদায়ক পরিবেশ তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনার এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে একটি মানবিক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ত্রাণ বিতরণ ও চিকিৎসাসেবার এই কার্যক্রমে ডা. জুবাইদা রহমানের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম এবং ড্যাবের (DAB) অন্যতম শীর্ষ নেতা ডা. ফরহাদ হালিম ডোনারসহ স্থানীয় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, অসহায় মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব পালন আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং তাদের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করতে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও রাজনৈতিক দলগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণ এখন সময়ের দাবি।