সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে যেন পাকিস্তান বেশ ভালো প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছিল। দুই ওপেনারের দারুণ সূচনার কারণে সফরকারীরা বড় সংগ্রহের পথে এগোছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ৪৭.৩ ওভারে অলআউট হয়ে তারা তুলেছে ২৭৪ রান। অর্থাৎ সিরিজ জিততে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে ২৭৫ রান।
মিরপুরের শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও টস জিতে ফিল্ডিং বেছে নেয় বাংলাদেশ। তবে এবার পাকিস্তান আগের ম্যাচের মতো ভুল করেনি। সাহিবজাদা ফারহান আর মাজ সাদাকাত ১৩ ওভারের মধ্যে দলকে পার করে দেন ১০০ রানের গণ্ডি।
কিছুতেই উইকেটের দেখা পাচ্ছিল না বাংলাদেশ। অবশেষে ১০৩ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৩১ বলে টি-টোয়েন্টি মেজাজে ফিফটি করা মাজ সাদাকাতকে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের ক্যাচ বানান বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৪৬ বলে ৬ চার আর ৫ ছক্কায় সাদাকাত করেন ৭৫ রান।
এরপর আরেক ওপেনার সাহিবজাদাকে তুলে নেন তাসকিন আহমেদ। তাসকিনের বলে ডিপ থার্ডম্যানে তাওহিদ হৃদয়কে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাহিবজাদা (৩১)। নাহিদ রানারের বলে পুল করতে গিয়ে থার্ড ম্যানে মোস্তাফিজুর রহমানকে ক্যাচ দেন শামিল হোসেন (৬)।
১৯ রানের মধ্যে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। তবে চতুর্থ উইকেটে আবার জুটি গড়েন মোহাম্মদ রিজওয়ান আর সালমান আলি আগা। ১১৫ বলে ১০৯ রানের জুটিটি শেষ হয় রানআউটে।
সালমান আগা ননস্ট্রাইকে কিছুটা বেরিয়ে গিয়েছিলেন। বোলার মিরাজ আস্তে করে বল ধরে তিনি বুঝে ওঠার আগেই স্টাম্প ভেঙে দেন। আগা এই আউট মানতে পারেননি এবং বেরিয়ে যাওয়ার সময় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এমনকি ব্যাট আর হেলমেট ছুড়ে ফেলেও দেন। ৬২ বলে ৬৪ রান আসে আগার ব্যাট থেকে।
এর এক বল পরেই উইকেট হারান আরেক ব্যাটার রিজওয়ান (৪৪)। হুসাইন তালাতকে (৯) বোল্ড করেন রিশাদ হোসেন। ৭ বলে ১১ করে রানআউট হন আবদুল সামাদ। ২৫৪ রানে পাকিস্তান হারায় ৭ উইকেট।
এরপর আর বেশিদূর এগোতে পারেনি সফরকারীরা। ইনিংসের ১৫ বল বাকি থাকতে অলআউট হয়েছে ২৭৪ রানে।
রিশাদ হোসেন নিয়েছেন ৩টি, মেহেদী হাসান মিরাজ ২টি উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানার।
Tag:
আরো পড়ুন: