ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইসরাইলে নিহত আরও ১

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইসরাইলে নিহত আরও ১

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯ মার্চ, ২০২৬ ২২:১৫

মধ্য ইসরাইলে ক্লাস্টার ওয়ারেড (গুচ্ছ বোমা) যুক্ত একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। সোমবারের এ হামলায় আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন। 

তেহরান ইসরাইল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর হামলা অব্যাহত রাখায় মধ্য রাতের পর থেকে এটি ছিল সপ্তম দফার হামলা। বিকেলে ইরান অষ্টম দফার হামলা চালায়। 

এই ক্লাস্টার ওয়ার হেডটি মধ্য ইসরাইলের ইহুদ, ওর ইয়েহুদা, হলোন, বাত ইয়ামসহ অন্তত ছয়টি স্থানে আঘাত হানে। 

চিকিৎসা কর্মকর্তাদের মতে, ইহুদ শহরের একটি নির্মাণাধীন স্থানে একজন নিহত ও অন্য একজন আশঙ্কাজনক ভাবে আহত হয়েছেন। ওর ইয়েহুদায় তৃতীয় এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। 

মাগেন ডেভিড অ্যাডম (এমডিএ) জানায়, নির্মাণাধীন স্থানে ৪০ বছর বয়সী দুই ব্যক্তি স্প্লিন্টারের আঘাতে মারাত্মক ভাবে আহত হন, যার মধ্যে একজন পরে মারা যান। দ্বিতীয় ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। 

ঘটনাস্থলের ছবিতে মাটিতে গর্ত এবং বিস্ফোরণে যানবাহন ও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেখা গেছে। চলমান সংঘাতের সময় ইরান ইসরাইলে ক্লাস্টার বোমা বহনকারী একাধিক ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যা দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় নির্বিচারে ছোট ছোট বোমা ছড়িয়ে দিচ্ছে। 

ক্ষেপণাস্ত্রের এই উপর্যুপরি হামলাগুলো দক্ষিণ, মধ্য ও উত্তর ইসরাইলের বিভিন্ন স্থানকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। একই সময়ে, ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহ গোষ্ঠী উত্তর ইসরাইলে রকেট ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। 

ভোরবেলার এক হামলায় রিশন লেজিয়ন শহরে এক নারী মাঝারি ভাবে আহত হন। এলাকাটিতে পড়া একটি ক্লাস্টার বোমার অংশের আঘাতে পাথরের টুকরো ছিটকে এসে ৫০ বছর বয়সী ওই নারীর মাথায় লাগে। এমডিএ প্যারামেডিকরা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে স্থিতিশীল অবস্থায় শামির মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যান। 

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরে জানিয়েছে, তার অবস্থা বর্তমানে ভালো। আঘাতের সময় তিনি কোনো বোমা আশ্রয়কেন্দ্রে (শেল্টার) ছিলেন না।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ ভাবে আগ্রাসন শুরু করে গণহত্যাকারী ইসরাইল ও তাদের সহযোগী যুক্তরাষ্ট্র। এরপর থেকে কঠোর ভাষায় জবাব দিয়ে যাচ্ছে তেহরান। এতে ইসরাইলে ১০ জনের নিহতের তথ্য প্রকাশ করেছিল তেল আবিব।

সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল।