যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারের প্রধানমন্ত্রিত্ব এখন হুমকির মুখে পড়েছে। ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির সাম্প্রতিক নির্বাচনী বিপর্যয়ের পর দলটির ভেতরেই তার পদত্যাগের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার (১২ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির হতাশাজনক ফলাফলের পর থেকেই স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। পরিস্থিতি এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্য প্রকাশ্যেই তাকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবানা মাহমুদসহ মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগের জন্য একটি সময়সীমা নির্ধারণের কথা বিবেচনা করতে বলেছেন।
অন্যদিকে দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট্টে কুপার স্টারমারকে সুশৃঙ্খলভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের বিষয়টি ভাবার পরামর্শ দিয়েছেন।
এছাড়া উপপ্রধানমন্ত্রী ডেভিড লামিও নাকি স্টারমারকে পদত্যাগের নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মন্ত্রিসভার চারজন সহকারী রয়টার্সকে জানিয়েছেন, স্টারমার স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করলে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হতে পারে। এজন্য চাপ সৃষ্টি করতে কয়েকজন মন্ত্রী নিজেরাও পদত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
তাদের দাবি, ২০২৯ সালের জাতীয় নির্বাচনে লেবার পার্টিকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো অবস্থানে আর নেই ৬৩ বছর বয়সী স্টারমার।
এদিকে মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য পদত্যাগ করার পর দ্রুত সময়ের মধ্যেই শূন্য পদগুলোতে নতুন নিয়োগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার।ে
আরো পড়ুন: