ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে আমিরাতকে সহায়তা দেয় ইসরায়েল

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে আমিরাতকে সহায়তা দেয় ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২ মে, ২০২৬ ১০:৪১

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) নিজেদের অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘আয়রন ডোম’ সরবরাহ করেছিল দখলদার ইসরায়েল। বিষয়টি প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে নিশ্চিত করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন দূত মাইক ওয়াল্টজ।

সোমবার (১১ মে) ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল এ তথ্য প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ইসরায়েলের দেওয়া আয়রন ডোম ব্যবহার করেছে আমিরাত।

জাতিসংঘে ইসরায়েলি মিশনের আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে মার্কিন দূত মাইক ওয়াল্টজ বলেন, “আমরা দেখেছি আমিরাত ইসরায়েলের দেওয়া আয়রন ডোম ব্যবহার করেছে।”

এর আগে আমিরাতকে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের বিষয়ে নানা আলোচনা থাকলেও কোনো পক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে তা স্বীকার করেনি। ওয়াল্টজের বক্তব্যের মাধ্যমে প্রথমবার বিষয়টি প্রকাশ্যে এলো।

এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে ইরানে গোপন হামলা চালায় সংযুক্ত আরব আমিরাত। উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র আমিরাতই এমন অভিযানে অংশ নেয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, আমিরাতের হামলার লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে ছিল ইরানের লাভান দ্বীপের একটি তেল শোধনাগার। হামলাটি এপ্রিলের শুরুতে সংঘটিত হয়। তবে এটি যুদ্ধবিরতির আগে নাকি পরে হয়েছে, তা স্পষ্ট করা হয়নি।

হামলার পর ইরান দাবি করে, অজ্ঞাত শত্রুপক্ষ তাদের তেল স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে তেহরান কুয়েত ও আমিরাতে ব্যাপক মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালায়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তেল শোধনাগারে হামলায় উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল এবং তা কাটিয়ে উঠতে ইরানের বেশ সময় লাগে।

যুক্তরাষ্ট্রের এক সূত্রের বরাতে বলা হয়, আমিরাতের এই পদক্ষেপকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কারণ উপসাগরীয় অন্য আরব দেশগুলো ওই অভিযানে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।