মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সমীকরণ, ঘনিষ্ঠ হচ্ছে আমিরাত-ইসরায়েল

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সমীকরণ, ঘনিষ্ঠ হচ্ছে আমিরাত-ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬ ১৪:৫৮

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও ইসরায়েলের মধ্যে সামরিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। নতুন অস্ত্র ব্যবস্থা যৌথভাবে ক্রয় ও উন্নয়নের লক্ষ্যে দুই দেশ একটি বিশেষ প্রতিরক্ষা তহবিল গঠন করেছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে।

মিডল ইস্ট আই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, এই নতুন অংশীদারত্বের আওতায় ইউএই ও ইসরায়েল যৌথভাবে অস্ত্র ব্যবস্থা সংগ্রহ করবে এবং ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়নে অর্থায়নেও অংশ নিতে পারে আবুধাবি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চলমান পরিস্থিতির মধ্যেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর একটি ইউএই সফরের সময় এই সমঝোতা চূড়ান্ত হয়। যদিও ইসরায়েল সফরের বিষয়টি স্বীকার করলেও ইউএই তা অস্বীকার করেছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, দুই দেশ যৌথভাবে কাউন্টার-আনম্যানড এয়ারক্রাফট সিস্টেম (সি-ইউএএস) এবং অন্যান্য আকাশ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়নে কাজ করবে। এই তহবিলে বিপুল অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে এবং এটি শুধু আকাশ প্রতিরক্ষায় সীমাবদ্ধ নয়।

বিশ্লেষক ইয়োএল গুজানস্কি বলেন, প্রযুক্তি ও অর্থের ঘাটতি পূরণে এই সহযোগিতা দুই দেশের জন্যই কৌশলগতভাবে লাভজনক।

ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় ইউএই সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ওই সময় ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতিই ইউএই ও ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে। ২০২৬ সালে ইউএইর সামরিক বাজেট প্রায় ২৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।

২০২৫ সালের জুনে ইউএইর প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান এজ গ্রুপ ইসরায়েলি ড্রোন প্রযুক্তি কোম্পানিতে বড় ধরনের শেয়ার অধিগ্রহণ করে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।