ইসরাইলের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের অস্থিরতার মধ্যে পার্লামেন্ট (নেসেট) ভেঙে দেওয়ার প্রাথমিক একটি বিল পাস হয়েছে, যা দেশটিকে আগাম নির্বাচনের পথে ঠেলে দিয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার (২০ মে) এই ভোটে ১১০ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন মেলে বলে জানা গেছে। ফলে রাজনৈতিকভাবে চাপে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
বিরোধীদল ও কিছু জোটসঙ্গীর সমর্থনে বিলটি প্রাথমিকভাবে পাস হলেও এটি এখনো চূড়ান্ত নয়। চূড়ান্তভাবে কার্যকর হতে হলে সংসদীয় কমিটির পর্যালোচনা এবং নেসেটে আরও কয়েক দফা ভোটের প্রয়োজন হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অর্থোডক্স ইহুদি দলগুলোর জোট সরকার থেকে সমর্থন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তই এই সংকটকে তীব্র করেছে। ফলে ক্ষমতাসীন জোট নিজেই পার্লামেন্ট বিলুপ্তির উদ্যোগে যেতে বাধ্য হয়।
আগামী অক্টোবরের নির্ধারিত নির্বাচনের আগেই সেপ্টেম্বর বা তার কাছাকাছি সময়ে আগাম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের নিরাপত্তা ব্যর্থতা, গাজা ও লেবানন সংঘাত এবং ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা—সব মিলিয়ে নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা ইতোমধ্যে ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। এছাড়া দুর্নীতি মামলাও তার রাজনৈতিক অবস্থানকে দুর্বল করেছে।
সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে দেখা যাচ্ছে, বিরোধী নেতা নাফতালি বেনেট ও ইয়ার লাপিদের জোট ভবিষ্যৎ নির্বাচনে শক্ত অবস্থানে থাকতে পারে, যা নেতানিয়াহুর জন্য বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
আরো পড়ুন: