রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্বীকার করেছেন যে ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলার কারণে দেশটিতে আংশিক জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, পরিস্থিতি এখনো ‘গুরুতর’ পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
রোববার ক্রেমলিন প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেন, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের ফলে রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে।
তিনি বলেন, “আমরা কিছুটা জ্বালানির ঘাটতি অনুভব করছি, তবে এটি সংকটজনক নয়।”
পুতিনের মতে, গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা রাশিয়ার সরবরাহ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
রাশিয়ার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ২০২২ সালে যুদ্ধ শুরুর পর ইউক্রেন নিয়মিতভাবে তেল শোধনাগার ও সামরিক স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালিয়ে আসছে।
অন্যদিকে ইউক্রেন এসব হামলাকে ‘ন্যায্য প্রতিশোধ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
রাশিয়ার দখলকৃত ক্রিমিয়া অঞ্চলে জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ইউক্রেনের হামলাকে এর জন্য দায়ী করেছে।
পুতিন আশা প্রকাশ করেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হলে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধি দল মস্কো সফর করে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করতে পারে।
এর আগে এক ভাষণে তিনি রাশিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রতিশ্রুতি দেন।
আরো পড়ুন: